1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘জঙ্গিবাদ ইসলামের সমূহ ক্ষতি করছে’

বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতার খবর প্রায় নিয়মিতই আসে৷ অর্থনীতিবিদরা বলে আসছেন, জঙ্গি দমন করতে হলে জঙ্গিবাদের পেছনে অর্থের জোগানটা আগে বন্ধ করতে হবে৷ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও সেই সুরের অনুরণন৷

আমার ব্লগে নিজের লেখার শিরোনামে জঙ্গিবাদ সম্পর্কে একটা প্রশ্ন করে জঙ্গিবাদ সম্পর্কে ইসলাম ধর্মের দৃষ্টিতে তার একটা জবাবও দিয়েছেন শ্রাবণী৷ লেখার শিরোনাম, ‘‘জঙ্গিবাদ কি কোনো দলের? ইসলাম ধ্বংসে লিপ্ত থাকায় দমন করা একান্ত জরুরি''৷

শ্রাবণী মনে করেন, ‘‘ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো মাধ্যমের সহযোগীতায় জঙ্গি সংগঠনগুলো পরিচালিত হয়৷ জঙ্গি সংগঠনগুলো মূলত অন্যদের আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পরিচালিত৷ আমাদের দেশে অনেক ব্যাংক আছে যারা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের জন্য জঙ্গির অর্থ লেনদেনে সহযোগীতা করে৷''

তারপর চট্ট্রগ্রামে একটি জঙ্গি সংগঠনকে তহবিল সংগ্রহে সহায়তা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার তিন আইনজীবীর প্রসঙ্গও তুলে এনেছেন শ্রাবণী৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘সম্প্রতি তিনজন আইনজীবীও তাঁদের জড়িত থাকার কথা আদালতে স্বীকার করেছেন৷ এ সব জড়িত ব্যক্তি বা সংগঠনের খুঁজে বের করা অতীব জরুরি৷....বিভিন্ন জনের জড়িত থাকার ঘটনা পাওয়া যাচ্ছে৷ জঙ্গি অর্থায়ন দমন করতে ব়্যাব, পুলিশ, এনএসআই – এদের সতর্কতা বড় ধরণের ভূমিকা রাখতে পারে৷ এই সব ব্যাপারে যারা জড়িত তাদেরকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নেওয়া দরকার৷ সর্বশেষ কথা – জঙ্গিবাদ করে যারা ইসলামের ক্ষতি করছে তাদের দমন করা সকলেরই প্রয়োজন৷ আমাদের এদের ব্যপারে যথেষ্ট সোচ্চার হতে হবে, তাহলেই আমরা দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারবো, ইনশাআল্লাহ৷''

বাংলাদেশে জঙ্গিদের অর্থায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারাকাত৷ কয়েক দিন আগেও তিনি বলেছেন, ‘‘দেশে মৌলবাদী সংগঠনগুলো অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় এবং তাদের ১১৮টি জঙ্গি সংগঠন রয়েছে৷গত ৩৭ বছরে এ সব জঙ্গি সংগঠন দেশে মৌলবাদী অর্থনীতির ভিত মজবুত করে তুলেছে৷'' ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে সেদিন তিনি আরো বলেন, জঙ্গিসংগঠনগুলো গত কয়েক বছরে নামে-বেনামে ‘৫৩টি মৃত্যুদণ্ড ও ৪৮টি কাফনের কাপড় দিয়ে' তাঁকে হত্যার হুমকি দিয়েছে৷'' তবে ড. আবুল বারাকাত জানিয়েছেন, জঙ্গিদের হুমকিতে তিনি ভয় পাননি৷

আমার ব্লগে মনাজ হকের লেখাটিও জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত৷ এ লেখার মাধ্যমে তিনি জানতে চেয়েছেন, ‘‘আমরা বাঙালিরা সাহসী মানুষ কে মূল্যায়ন করা শিখব কবে?''

লেখায় তিনি শুরুতেই তুলে ধরেছেন ফ্রান্সে এক বন্দুকধারীর বিরুদ্ধে নিরস্ত্র তিন মার্কিন এবং একজন ব্রিটিশ নাগরিকের সাহসিকতার প্রসঙ্গ৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘তিনজন মার্কিন ও একজন ব্রিটিশ নাগরিককে তাঁদের সাহসিকতার জন্য ফরাসি প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ পুরস্কারে ভূষিত করলেন৷ তাঁরা সম্প্রতি একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী ট্রেনে ভয়াবহ জঙ্গি নাশকতা প্রতিহত করে৷ তাঁরা চারজন মিলে ট্রেনটি আমস্টারডাম থেকে প্যারিস যাওয়ার প্রাক্কালে এক বন্দুকধারী হত্যাকারীকে জপটে ধরে বন্দি করতে সক্ষম হয়৷ এই সাহসিকতার জন্যে তাঁরা ফ্রান্স এর সর্বোচ্চ খেতাব পেলেন৷''

তারপরই ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান হত্যার প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন মনাজ হক৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘বন্ধুরা আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে বাংলাদেশের ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবুর হত্যাকারীদেরকে দু'জন ‘তৃতীয় লিঙ্গের' সাহসী মানুষ জপটে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিল, আমাদের প্রধান মন্ত্রী কি তাঁদের সাহসিকতার মূল্যায়ন করেছেন?''

সংকলন: আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়