1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘জঙ্গিদের জন্মদাতারাই লাশ নিতে ঘৃণা দেখাচ্ছে'

কল্যাণপুরে পুলিশের অভিযানে জঙ্গি নিহত হওয়ার খবরে ডয়চে ভেলের পাঠকরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন৷ কেউ পুলিশের প্রশংসা করেছেন, আর কেউ অভিযানের ধরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন৷

জঙ্গিদের গ্রেপ্তার না করে সরাসরি গুলি করায় পাঠক অনিন্দ জাহিদ ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় লিখেছেন, ‘‘নির্লজ্জ দলীয়করণ আর স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পুলিশের পদ-পদবি এবং সুবিধাদি ভোগ করার কারণে তাদের ভিতর সামান্যতম নৈতিকতা শিক্ষার অনুভূতি জাগ্রত হয় না৷ তারা স্বার্থগত সুবিধার জন্য এতটাই লালায়িত, তারা যে মানুষ- এ সত্যটাই তারা ভুলে গেছে৷ অন্ধের মত বাছবিচারহীন অদৃশ্য কোনো চিত্রনাট্যকারের চিত্রনাট্য পরিচালনাই যেন তাদের নিয়তি৷ সমগ্র বাংলাদেশই তাদের ‘হলোকস্ট' এর শিকার৷ তারা এখন অসীম ক্ষমতার ধারক বাহক৷ তাদের মতের মিল না হলে তাদের কাছে তাদের একজন এসপিও নিরাপদ নয়, পক্ষান্তরে তাদের স্বার্থ সিদ্ধির সাথী একজন কন্সটেবলের জন্যও তারা জানবাজি রাখতে রাজি৷ তারা দলীয় ক্যাডার বাহিনীতে পরিণত হয়েছে৷ তাদের কোনো জবাবদিহিতা নাই, তিরস্কার নাই৷ তারা যাই করুক, তাদের পুরস্কার ও প্রমোশন নির্ধারিত৷''

আর এ সম্পর্কে পাঠক সোহেল মনে করেন, পুলিশের মন চাইলেই নাকি তাঁরা গুলি করেন অর্থাৎ এর কোনো নিয়ম-কানুন নেই৷ তবে শামীম হোসেনের ধারণা, ‘‘পুলিশ অতর্কিত হামলা করার কারণে জঙ্গিরা তাদের টার্গেট অপারেশন চালানোর জন্য অস্ত্রের চালান হাতে পায়নি৷ তার আগেই পুলিশরা তাঁদের গুলি করে কাজ সেরে ফেলেছে৷''

তবে সন্দেহভাজনদের গুলি না করে গ্রেপ্তার করলে কি হতো সে সম্পর্কে, ডয়চে ভেলের ফেসবুকবন্ধু শুভর মন্তব্য এরকম, ‘‘ওদের মত জানোয়ারদের এটাই প্রাপ্য.. ওদের আটকাইলে হয়ত জামিনে বের হইতো, না হয় কারাগারে বইসা সরকারি খাওন খাইত৷ একমাত্র বেজন্মারাই এদের সাপোর্ট করবে, সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ করবে না৷''

আর ‘‘আমাদের সন্তান বলে বিলাপের সুযোগ নেই৷ তাদের জন্মদাতারাই যেখানে লাশ নিতে ঘৃণা দেখাচ্ছে তখন আপনি আমি মায়া কান্না করবো কেন?'' এই মন্তব্য ফেসবুকবন্ধু সঞ্জীবের৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন