1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন আবাসিক হল থাকবে না?'

নতুন হলের দাবিতে আন্দোলন করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা৷ পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের পরিত্যক্ত জায়গায় আবাসিক হল নির্মাণের দাবিতে আন্দোলন করছেন তাঁরা৷

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

ফাইল ফটো

সোমবার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মিছিল পুলিশের বাধার মুখে পড়ে৷ পুলিশের লাঠিপেটায় বেশ কয়েকজন আহত হন৷ শিক্ষার্থীরা তখন স্মারকলিপি জমা দিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে যাচ্ছিলেন৷

শিক্ষার্থীরা বলছেন, একটি মহিলা হলসহ ১৩টি হল থাকলেও সেগুলো প্রভাশালীদের দখলে রয়েছে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হল উদ্ধার বা আবাসন সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আন্তরিক হচ্ছেন না৷

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই হলের দাবিতে আন্দোলনের শুরু সাত বছর আগে৷ এতদিনে কথিত ১৩টি হলের মধ্যে দুটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে৷ বাকিগুলো কেন উদ্ধার হচ্ছে না, কেন ছাত্রদের আবাসনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না – এমন প্রশ্নের উত্তরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মিজানুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানান, ছাত্রী হলের নির্মাণকাজ চলছে৷ তিনি আরো জানান, ২০০৫ সালে স্রেফ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে একটি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার কারণেই দেখা দিয়েছে এই সংকট৷ তাঁর মতে, মাত্র সাড়ে সাত একর জায়গায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয় করাই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত৷

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো কর্মচারী বা শিক্ষকেরও আবাসনের ব্যবস্থা নেই – এ তথ্য জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আরো দাবি করেন, যে ৯টি হলের কথা বলা হচ্ছে সেগুলো মূলত দখল করা হিন্দুদের বাড়ি৷ সেগুলো দখলমুক্ত করার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা যথাসম্ভব দূর করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট রয়েছে, তবে কাজটি সময়সাপেক্ষ৷

তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তুপক্ষের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না৷

এদিকে মঙ্গলবারও পুরান ঢাকার রাস্তায় অবস্থান নিয়ে হলের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যান শিক্ষার্থীরা৷

শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন অনেকেই৷ সাংবাদিক লেখক আনিসুল হক, গণ জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ড. ইমরান এইচ সরকারসহ অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা মনে করেন শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়া উচিত৷

আনিসুল হক জানতে চেয়েছেন, ‘‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল কেন থাকবে না?''

আর ড. ইমরান এইচ সরকার লিখেছেন , ‘‘সাবাস জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়! আপনাদের আবাসিক হলের দাবীর সাথে একাত্বতা জানাচ্ছি৷ ন্যায্য দাবীর আন্দোলনে দমন-পীড়ন, টিয়ার শেল নিক্ষেপেরও নিন্দা জানাচ্ছি৷ ইতিহাসের শিক্ষা, অধিকার আদায় করে নিতে হয়৷ অধিকার আদায়ের ন্যায্য লড়াইয়ে সংহতি রইলো৷''

সংকলন: আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়