1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

ছাইমেঘ থেকে বিমান বাঁচানোর নতুন উপায়

ছাইমেঘের ‘কল্যাণে’ হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়ার পর, এবার সমাধান নিয়ে হাজির উড়াল সংস্থাগুলো৷ ইজিজেট জানাচ্ছে, তারা নতুন এক প্রযুক্তি বের করেছে যা ব্যবহার করে ছাইমেঘের আকাশেই বিমান চালানো সম্ভব৷

default

ইজিজেট-এর একটি বিমান

কী ? জানতে চান কী সেই পদ্ধতি ? তার আগে জানাই, ছাইমেঘ আসলে কেন ক্ষতিকর৷ সংক্ষেপে বললে, ছাইমেঘের মধ্যে অনেকক্ষেত্রেই উড়ে বেড়ায় ক্ষুদ্র পার্টিকেল, যা কিনা বিমানের জানালা এবং ককপিটের দেয়ালে আঁচড় ফেলতে পারে৷ তার ওপর এই ক্ষুদ্র পার্টিকেল বিমানের ইঞ্জিনও বন্ধ করে দিতে পারে৷ আর তাই, এ ধরনের ক্ষেত্রে বিমান দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, যদিও ছাইমেঘের কারণে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি৷

ফিরে আসি মূল প্রসঙ্গে৷ ইজিজেট জানাচ্ছে, ইনফ্রারেড ব্যবহার করে বিমানের গতিপথের সামনের দিকে ৬২ মাইল পর্যন্ত কোন ক্ষতিকর পার্টিকেল আছে কিনা - তা পরীক্ষা করে দেখা সম্ভব৷ আর ছাইমেঘের মধ্যে সেরকম কোন ক্ষতিকর পার্টিকেলের সন্ধান পেলে বৈমানিক সহজেই গতিপথ বদলাতে পারবে, প্রয়োজনে নিতে পারবে বাড়তি সতর্কতা৷

ইজিজেট সংক্ষেপে এই পদ্ধতির নাম দিয়েছে ‘এভয়েড'৷ এই নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সংস্থাটি ব্যয় করেছে দেড় মিলিয়ন মার্কিন ডলার৷ ইজিজেটের পক্ষে আগামী দুই মাসের মধ্যে বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীক্ষামূলক উড়াল পরিচালনায় সম্মত হয়েছে৷

Island Vulkan Asche

আইসল্যান্ডের এই আগ্নেয়গিরিটির কারণেই যত বিপত্তি

ইতিমধ্যে ইজিজেট এর এই নতুন প্রযুক্তিকে সমর্থন দিয়েছে যুক্তরাজ্যের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ সিএএ৷ তবে, তা সীমাবদ্ধ থাকছে শুধু সার্টিফিকেট প্রদানের মধ্যে৷ অর্থাৎ এই প্রযুক্তির বাস্তব ব্যবহারের আগে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চায় সিএএ৷

এদিকে, ইজিজেট তাদের নতুন প্রযুক্তিকে চারদিকে ছড়িয়ে দিতে রাজি৷ সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যান্ডি হারিসন জানিয়েছেন, আমরা শুধু নিজেরাই সুবিধা পেতে এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করিনি৷ বরং বাণিজ্যিক দিক থেকে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরাও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারেন৷

প্রসঙ্গত, আইসল্যান্ডের আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত ছাইমেঘের কারণে এই বছর ইউরোপে বিমান চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে৷ প্রায় ১ লাখ উড়াল বাতিল হয়৷ এতে বিমান সংস্থাগুলোর ক্ষতির পরিমাণ ছিল ১ দশমিক সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার৷

প্রতিবেদন : আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা : দেবারতি গুহ

সংশ্লিষ্ট বিষয়