1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে মুখোমুখি ম্যান ইউ এবং বার্সা

বুন্ডেসলিগার দল শালকেকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলো ইংলিশ দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড৷ আগামী ২৮ মে তারা ওয়েম্বলিতে মুখোমুখি হচ্ছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার৷

default

দুটি দলের জন্যই ওয়েম্বলি শুভ, কারণ ১৯৬৮ সালে ম্যান ইউ এবং ১৯৯২ সালে বার্সেলোনা তাদের নিজ নিজ প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতেছিল এই স্টেডিয়ামেই৷ তবে দুই দল দুই বছর আগেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে সর্বশেষ মুখোমুখি হয়৷ ইটালির রোমে অনুষ্ঠিত সেই ফাইনালে বার্সা জেতে ২-০ গোলে৷ তবে এবারের ফাইনালটি ম্যান ইউর জন্য অনেকটা ঘরের মাঠ বলা যায়৷

যাই হোক, বুধবারের সেমিফাইনালের ম্যাচটিতে এবার আসা যাক৷ প্রথম লেগে শালকের নিজ মাঠে ২-০ তে জিতেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড৷ তাই গতকাল ওল্ড ট্রাফোর্ডের ম্যাচের আগে মূল দলের নয়জনকে বসানোর সাহস করেন ম্যান ইউ বস অ্যালেক্স ফার্গুসন, যাদের মধ্যে ছিলেন ওয়েইন রুনি এবং রায়ান গিগস৷ শালকের ঘরের মাঠে জয় দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটিকে অনেকটা সহজ করে দিয়েছিল ফার্গুসনের জন্য, তাই আগামী রোববার চেলসির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচের জন্যই মূল খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিলেন তিনি৷ তবে দ্বিতীয় সারির দল নিয়েও ম্যান ইউ বুঝিয়ে দিলো দল হিসেবে তারা বুন্ডেসলিগার শালকের চেয়ে কত ওপরে৷

Flash-Galerie Champions League Halbfinale Manchester United Schalke 04

খেলা শেষে অবশ্য সেটা স্বীকারও করেছেন শালকের কোচ রাল্ফ রাংনিক৷ দ্বিতীয় লেগে দল ৪-১ গোলে হারার পর তিনি বলেন, ম্যান ইউর এই দলের অনেক খেলোয়াড়কে বুন্ডেসলিগার যে কোন দলই পেতে চাইবে৷ অন্যদিকে এই নিয়ে গত চার বছরে তিনবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠলো ফার্গুসনের দল৷ সেমিফাইনালের পর তিনি বলেন, ইউরোপের সেরা প্রতিযোগিতার ফাইনালে ওঠাটা দারুণ ব্যাপার, তবে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই আসল লক্ষ্য৷

বুধবারের ম্যাচের পুরোটাই ছিল ম্যান ইউর দখলে৷ প্রথমার্ধেই দুই গোল করে বসে ম্যান ইউ, তবে একটি গোল শোধও করে দিয়েছিল শালকে৷ দ্বিতীয়ার্ধে আর তেমন খুঁজে পাওয়া যায়নি শালকেকে আর সেই সঙ্গে হজম করে আরও দুটি গোল৷ সব মিলিয়ে সেমিফাইনালে ৬-১ এর ব্যবধানে পরাজয়৷ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় ব্যবধান৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়