1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি’

কয়েকদিন চিঠি লিখতে পারিনি৷ সুন্দর সুন্দর নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে সাইটে৷ পড়া হয়ছে সবকটাই, তবে মনকে ভারাক্রান্ত করেছে, ‘‘বাঁচার জন্য মানুষ অন্যের রক্ত পর্যন্ত খেয়েছে’’ নিবন্ধটি৷

নিবন্ধটিতে সাভারের রানা প্লাজায় ধংসস্তুপে আটকা পড়া মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের বাঁচার যে আকুতির কথা প্রকাশ পেয়েছে, তাতে খুব কষ্ট হচ্ছিল৷ নিবন্ধটি পড়ার পর নিছক কৌতূহলের বশেই শুনতে চাইলাম সঙ্গের অডিও ফাইলটি৷ কিন্তু শুনতে গিয়ে চোখের জল ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ল৷ মাত্র ২৪ বছরের পরোপকারী শীর্ণকায় যুবক সাইফুল ইসলাম নেসারের অতিমানবিক মানসিক শক্তি কতজন মানুষের প্রাণ শেষ পর্যন্ত বাঁচাতে পারল, জানি না কিন্তু মৃত্যুকে, মৃত্যুযন্ত্রণাকে এবং মুমূর্ষু মানুষের বাঁচার সুতীব্র আকুতিকে খুব কাছ থেকে দেখার এবং চরম প্রতিকূলতার মধ্যে দাঁড়িয়ে মৃত্যুর বিরুদ্ধে বীরোচিত লড়াইয়ের যে অভিজ্ঞতা তাঁর হয়েছে, তাঁর নিজের মুখে তা শুনে শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্তের মতোই চমকে উঠলাম,মানুষ! দেবতা! পিশাচ! কে ও!

ঈশ্বরকে শত শত ধন্যবাদ জানাই নেসার ভাইয়ের মতো মানুষদের পৃথিবীতে পাঠানোর জন্য৷ তাঁর সংগঠনের নাম ‘শুনতে কি পাও', আমি বলি, ‘‘হ্যাঁ ভাই, তোমার মতো মানুষদের হৃদয়ের শব্দ আমরা নিশ্চয়ই শুনতে পাই, যে শব্দ পৃথিবীর সব শব্দের চেয়ে সুন্দর৷ তাই শত শত মাইল দূরের এই দিদি তোমার জন্য ঈশ্বরের কাছে অনেক অনেক দোয়া মাগে৷ টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তোমার কান্না আমাদের হৃদয়ে মোচড় দিয়েছে৷ তোমাকে হাজারো সেলাম''৷ সবাই ভালো থাকবেন, নমস্কার নেবেন৷ ইতি কেকা প্রধান, পুরুলিয়া, পশ্চিমবঙ্গ থেকে৷

- বোন কেকা, আপনার হৃদয়স্পর্শী ই-মেলটি ভালো লাগলো৷ আশা করছি এভাবেই আপনি নিজে ডয়চে ভেলের সাথে থাকবেন এবং অন্যদেরও জানাবেন৷

নজর কেড়ে নিল কোলন শহরের দক্ষিণে ২৬ হেক্টর জায়গা জুড়ে তৈরি বিভিন্ন দেশ থেকে আনা গাছ গাছালি দিয়ে ঘেরা বাগানের কথা নিয়ে ছবি সহ তথ্য ভিত্তিক উপস্থাপনা৷

‘ফুটবলের আদিগুরু কারা ছিলেন' শীর্ষক খেলার পরিবেশনাথেকে নতুন তথ্য জানা গেল৷ ইউরোপীয় ফুটবলে জার্মানির প্রভাবের যুগ শুরু হওয়া নিয়ে মিশেল প্লাতিনির মন্তব্য হয়ত বা ঠিকই, কারণ বিশ্ব ফুটবলের প্রথম কয়েকটি দলের মধ্যে যে কোনো দল বড় বড় আসরে অঘটন ঘটাতে পারে৷ তবে আমরা তো জার্মানির মতন শক্তিধর দলের কাছে অনেক কিছু প্রত্যাশা করতে পারি৷ সুভাষ চক্রবর্তী, নতুন দিল্লি৷

প্রিয় ডয়চে ভেলের দাদা ও দিদিরা, আমার নমস্কার নেবেন৷ জীবনে এমন কিছু জিনিস আকস্মিকভাবে এসে যায় আর তাঁর সাথে এতটা ঘনিষ্ঠতা হয়ে যায় যে তাঁর থেকে দূরে সরে যাওয়া যায় না৷ এমনই একটি ওয়েবসাইট হল ডয়চে ভেলের বাংলা ওয়েবসাইট৷ এই ওয়েবসাইটের প্রতিটি লেখনী, বিন্যাস, লেখাগুলির গুণমান, সুনির্বাচিত বিষয়, ছবি সব মিলিয়ে এক অদ্বিতীয় ওয়েবসাইট, যা আগে কখনো দেখিনি৷ ডয়চে ভেলের ৬০ বছর পূর্তি হয়ে গেল জানতে পারলাম৷ এখন মনে হয় আরও আগেকেন যে ডয়চে ভেলের সাথে আমার পরিচয় হয়ে ওঠেনি৷ এত দিনে তো আমি অনেক কিছুই হারিয়েছি৷ লিখেছেন আমাদের নতুন পাঠক বন্ধু দীনেশ কুমার, গুলমোহর পার্ক, নতুন দিল্লি থেকে৷

- অনেক অনেক ধন্যবাদ সবাইকে৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ