চূড়ান্ত কর্মসূচি নির্ধারণে বিএনপির বৈঠক শনিবার | বিশ্ব | DW | 15.10.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

চূড়ান্ত কর্মসূচি নির্ধারণে বিএনপির বৈঠক শনিবার

২৫শে অক্টোবরকে কেন্দ্র করে বিরোধী দল বিএনপি ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ হুমকির বাক-যুদ্ধে নেমেছে৷ বিএনপি বলছে, ঐ দিন জনতা ক্ষমতা ছিনিয়ে নেবে৷ আর আওয়ামী লীগ বলছে, কোনো ধরণের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা যাবে না৷

default

সব ইস্যুকে ছাপিয়ে এখন সমস্ত আলোচনা এবং আতঙ্ক ২৫শে অক্টোবরকে কেন্দ্র করে

দেশের সব ইস্যুকে ছাপিয়ে এখন সমস্ত আলোচনা এবং আতঙ্ক ২৫শে অক্টোবরকে কেন্দ্র করে৷ আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি দুই দলই ঐ দিন ঢাকায় সমাবেশ ডেকেছে৷ বিএনপি সেদিন থেকে সরকার বিরোধী চূড়ান্ত আন্দোলন কর্মসূচি শুরু করবে৷ অন্যদিকে, আওয়ামী লীগও সেটা ঠেকাতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে৷ বিএনপি এই আন্দোলনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় করতে চায়৷ আর সরকার তা কোনোভাবেই মানতে চায় না৷ তারা চায় তাদের অধীনেই নির্বাচন হোক৷

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডয়চে ভেলেকে জানান, ১৯শে অক্টোবর বিএনপির স্থায়ী কমিটির এবং ২০শে অক্টোবর ১৮ দলীয় জোট নেতাদের বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে৷ ঐ দুটি বৈঠকে সরকার বিরোধী চূড়ান্ত আন্দোলন কর্মসূচি ঠিক করা হবে৷ তবে এরই মধ্যে সেই কর্মসূচি নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়ে গেছে বলে জানান তিনি৷

Bangladesch Opposition Demonstration Begum Khaleda Zia

২৫শে অক্টোবর কেমন আন্দোলনের ঘোষণা দেবেন খালেদা জিয়া?

তাঁর কথায়, বিএনপি এবং জোটের শীর্ষ নেতাদের ঢাকায় থাকতে বলা হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, সারাদেশের নেতা-কর্মীদের বলা হয়েছে যাঁর যাঁর অবস্থানে থাকতে৷ তিনি জানান, ২৫শে অক্টোবর থেকে যে চূড়ান্ত আন্দোলন শুরু হবে তাতে হরতাল, অবরোধ, ঘেরাও কিছুই বাদ দেয়া হবে না৷

এদিকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ২৫শে অক্টোবর জনগণ ক্ষমতা ছিনিয়ে নেবে৷ তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে মানুষ সেদিন খালেদা জিয়ার জনসভায় যোগ দেবে৷ আর জনতার সেই পদাতিক বাহিনীকে জনসভায় যোগ দিতে কোনো বাধা দেয়া হলে, তা গোলন্দাজ বাহিনীতে পরিণত হবে৷ তিনি অভিযোগ করেন, জনতার ন্যায়সঙ্গত দাবিকে প্রতিহত করার জন্য সরকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহারের পায়তারা করছে৷ কিন্তু সে সুযোগ দেয়া হবে না৷

এর জবাবে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, যদি আন্দোলনের নামে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয় তাহলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে৷ তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের সমর্থন না পেয়ে এখন অস্ত্রের ভাষায় কথা বলছে৷ দা-কুড়ালের কথা বলছে৷ তাই কোনো অস্ত্র ব্যবহার করা হলে আওয়ামী লীগ নয়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীই ব্যবস্থা নেবে৷

ওদিকে মাঠ পর্যায়ে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ডয়চে ভেলেকে জানান যে, ২৫শে অক্টোবরকে সামনে রেখে তাঁরাও প্রস্তুত হচ্ছেন৷ তবে তাঁদের কৌশল হলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যতক্ষণ ঠিকমতো কাজ করবে, ততক্ষণ তাঁরা প্রতিরোধে যাবেন না৷ তাঁদের ধারণা, প্রশাসন তার অবস্থানে শক্ত থাকবে৷ তাঁরা জানান, তাঁরা শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করবেন কোনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে না জড়াতে৷

অপরদিকে কোনো হামলা বা প্রতিরোধের জবাব দিতে সোমবার দা-কুড়াল নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলার পর, মঙ্গলবার বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার গোপীবাগের বাসায় পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে৷ তবে সে সময় তিনি বাসায় ছিলেন না৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়