1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

চীনে আবারো দেখা দিয়েছে বার্ড ফ্লু

শীতকাল মানেই সর্দি, কাশি অর্থাৎ ইনফ্লুয়েঞ্জা৷ আর চীনে শীত আসার সাথে সাথে ছড়িয়ে পড়েছে বার্ড ফ্লু৷ সে কারণে কীভাবে এর সংক্রমণ রোধ করা যায়, তাই নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছে চীনা কর্তৃপক্ষ৷

চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, ২০১৪ সালের চিকিৎসা প্রটোকল অনুযায়ী এবারের ইনফ্লুয়েঞ্জাকে (কমিউনিকেবল রেসপিরেটরি ডিজিজ) বলে বর্ণনা করা হয়েছে৷ অর্থাৎ অন্যান্য বার্ড ফ্লু-র মতো এটি এতটা শক্তিশালী নয়৷ কেননা ২০১৩ সালের রিপোর্টে তখনকার বার্ড ফ্লুকে ইনফেকসাস বা সংক্রামক ব্যধি হিসেবে বর্ণনা করা ছিল৷

সোমবার চীনের দৈনিক পত্রিকা বেইজিং টাইমস-এ বেইজিং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রোগ নিয়ন্ত্রণ একটি কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এটিকে অতটা শক্তিশালী বলতে রাজি না৷ কেননা এক বছরের বিশ্লেষণ ও গবেষণার পর তারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে এইচসেভেনএননাইন ততটা সংক্রামক নয়৷

জানুয়ারিতে এইচসেভেনএননাইন ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মেইনল্যান্ডে মারা গেছে সাতজন৷ ২০১৩ সালে ১৪৪ জনের দেহে এই ভাইরাস পাওয়া গেছে, যাঁদের মধ্যে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ তবে গত বছর জুনের পর সংক্রমণের হার দ্রুত কমে গেছে৷ কিন্তু শীত শুরুর সাথে সাথে আবারো দেখা দিয়েছে সংক্রমণ৷ কমিশন জানিয়েছে, বেশির ভাগ সংক্রমণ হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে৷

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনে এই ভাইরাসটি মানুষে সংক্রমিত হয়৷ তখন মানুষের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল, অন্যান্য বার্ড ফ্লু-এর মতো এটি মানুষ থেকে মানুষে অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এবং মহামারি আকার ধারণ করবে৷

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সংবাদ সংস্থা এএফপি একটি পরিসংখ্যান তৈরি করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে শীতকালীন ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত চীনের অধিবাসীদের ৯৫ ভাগই বার্ড ফ্লু-তে আক্রান্ত৷ এদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি পূর্বাঞ্চলের প্রদেশ ঝেজিয়াং এবং ২৪ জন দক্ষিণের গুয়াংডং-এর অধিবাসী৷

তবে এ বছর মানুষ থেকে মানুষে ভাইরাস সংক্রমণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কমিশন৷ তারা বলছে, ভাইরাসের সংক্রমণ থাকবে তিন থেকে চারদিন, সর্বোচ্চ সাতদিন৷ বেইজিং টাইমস-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, যাঁরা মুরগির খামারের সাথে জড়িত তাঁদের মধ্যে এই ফ্লু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করে দিয়েছে স্বাস্থ্য কমিশন৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অবশ্য এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি৷

এপিবি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন