1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

চীনের ‘বায়ু প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ এলাকা'

ইংরিজিতে নাম এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন বা আডিজ৷ পূর্ব চীন সাগরের একটি বড় এলাকা জুড়ে এই জোন, চীন ও জাপানের মধ্যে বিতর্কিত কিছু দ্বীপও যার মধ্যে পড়ে৷ রবিবার চীন এই জোন স্থাপনের ঘোষণা দেয়৷

চীন ঘোষণা দেওয়া যাবৎ জাপান ও অস্ট্রেলিয়া সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার চীনের এই একতরফা পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন৷ অপরদিকে জাপান ও তাইওয়ানের বিভিন্ন বিমান পরিবহণ সংস্থা জানিয়েছে যে, তারা চীনের ‘বায়ু প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ এলাকা' সংক্রান্ত নতুন নিয়মাবলী মেনে চলছে৷ কোরিয়ান এয়ার ও দক্ষিণ কোরিয়ার এসিয়ানা এয়ারলাইন্স জানিয়েছে যে, তারা পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে নতুন নীতিমালার অপেক্ষায় রয়েছে৷

চীনের স্বঘোষিত নিয়মাবলী অনুযায়ী ‘বায়ু প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ এলাকা' দিয়ে যাওয়ার আগে প্রতিটি বিমানকে তাদের ফ্লাইট প্ল্যান জমা দিতে হবে; জাতীয়তার স্পষ্ট পরিচয় রাখতে হবে; এবং দ্বিপাক্ষিক বেতার যোগাযোগ রেখে চলতে হবে, যা-তে তারা চীনা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শনাক্তকরণের প্রশ্নের ‘‘সময়মতো এবং যথার্থ জবাব দিতে পারে''৷

বিশ্বের অধিকাংশ সরকারের কাছেই চীনের এই একতরফা পদক্ষেপ অকার্যকরি এবং গ্রহণযোগ্য নয়৷ কিন্তু বোধগম্যভাবেই বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলির চীনের মতো শক্তির মোহড়া নেওয়ার সামর্থ্য কিংবা প্রবৃত্তি, দু'টোর কোনোটাই নেই৷ তাই জ্যাপানিজ এয়ারলাইন্স এবং অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ (আনা) জানিয়েছে যে, তারা চীনের দাবি মেনে চলছে ও চলবে৷ আনার অ্যাফিলিয়েট পিচ এভিয়েশন-ও তা-ই করছে৷

Shanghai Panorama

বায়ু প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ এলাকা' দিয়ে যাওয়ার আগে প্রতিটি বিমানকে তাদের ফ্লাইট প্ল্যান জমা দিতে হবে

তাইওয়ানের বেসামরিক বিমান প্রশাসন সিএএ-র এক মুখপাত্র বলেছেন, তাইওয়ানের বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলি চীনের নিয়মাবলী মেনে চলবে – সিএএ নিজেই তাদের ফ্লাইট প্ল্যানগুলি চীনের এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছে ফরোয়ার্ড করে দেবে৷ দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়ান এয়ার এবং এসিয়ানা এয়ারলাইন্স জানিয়েছে যে, তাদের বিমানগুলি চীনের ‘বায়ু প্রতিরক্ষা সনাক্তকরণ এলাকা' দিয়ে যাবার আগে চীনের কাছে খবর পাঠাচ্ছে না – বরং তারা পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে নতুন নীতিমালা পাবার অপেক্ষায় রয়েছে৷

সরকারি তরফ থেকে চীনের সমালোচনার কোনো কমতি নেই: অস্ট্রেলিয়া চীনের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়ে জানিয়েছে যে, ‘‘চীনের ঘোষণার সময় এবং ধরন....আঞ্চলিক স্থায়িত্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে না''৷ অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলিয়া বিশপ বলেছেন, ‘‘অস্ট্রেলিয়া পূর্ব চীন সাগরের স্থিতি পরিবর্তনের যে কোনো বলপূর্বক বা একতরফা পদক্ষেপের প্রতি তার বিরোধিতা স্পষ্ট করে দিয়েছে''৷

মঙ্গলবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের মুখপাত্রও চীনের ‘‘বলপূর্বক এবং একতরফাভাবে'' সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থিতি পরিবর্তনের প্রচেষ্টার সমালোচনা করেছেন৷ ইতিপূর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করে দেয় যে, সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ মার্কিন-জাপানি নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় পড়ে – যা সম্ভবত চীনের প্রতি সবচেয়ে জোরালো সংকেত হিসেবে গণ্য৷ জার্মান সরকারও বলেছেন, চীনের এই পদক্ষেপ ‘‘চীন ও জাপানের মধ্যে একটি সশস্ত্র ‘ঘটনার' ঝুঁকি বাড়াচ্ছে''৷

এসি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়