1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

চীনের প্রথম গৃহ নির্যাতন আইনের খসড়ার ফাঁকফোকর

প্রথমবারের মতো গৃহ নির্যাতন আইনের খসড়া প্রকাশ করেছে চীন৷ তবে এটি আইনে পরিণত হলে সমাজের একটা অংশ এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে বলে মনে করছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, এইচআরডাব্লিউ৷

Symbolbild sexuelle Gewalt Prostitution Menschenhandel Zwangsprostitution

প্রতীকী ছবি

সংগঠনের চীন বিষয়ক গবেষক মায়া ওয়াং ডয়চে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রস্তাবিত খসড়ায় অবিবাহিতদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি৷ তবে তিনি মনে করেন, এই আইন গৃহ নির্যাতন সম্পর্কে নির্যাতিতা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য ও সাধারণ মানুষদের সচেতন করবে৷

ডয়চে ভেলে: খসড়া আইনে আসলে কী বলা হয়েছে?

মায়া ওয়াং: এটা একটি নিরাপত্তামূলক আইন৷ এতে গৃহ নির্যাতন বন্ধে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কী দায়িত্ব তা বলা আছে৷ এছাড়া নির্যাতিতরা কী ধরনের সহায়তা পেতে পারে সেটাও খসড়ায় বলা আছে৷ তবে নির্যাতনকারীদের কী শাস্তি হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

খসড়াটি যদি আইনে পরিণত হয় তবে সেটা কাদের জন্য প্রযোজ্য হবে?

বিবাহিত দম্পতি, বাবা-মা ও শিশু এবং আত্মীয় যারা একসঙ্গে বাস করে, তাদের জন্য এই আইন প্রযোজ্য হবে৷ ফলে সমলিঙ্গের দম্পতি, অবিবাহিত দম্পতি এবং তালাকপ্রাপ্তরা এই আইনের বাইরে থাকবে৷

এই খসড়া প্রণয়ন করতে চীনের কত সময় লেগেছে?

অনেক বছর৷ আসলেই অনেকদিন ধরেই এই আইনের অপেক্ষায় ছিল সবাই৷ চীন সহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই আইনের দাবি জানিয়ে আসছিল৷ বর্তমানে চীনে এ বিষয়ক কোনো আইন নেই৷ ফলে কোনো নির্যাতিত নারী যখন পুলিশের কাছে অভিযোগ নিয়ে যায় তখন পুলিশ বলে এটা ঘরের ব্যাপার, কোনো অপরাধ নয়৷

চীনে পারিবারিক সহিংসতার বর্তমান পরিস্থিতি কেমন?

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চারজনের একজন নারী এই সহিংসতার শিকার হন৷ এছাড়া অনেক নারী নির্যাতনের বিষয়টি পরিবার কিংবা বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের জানাতে চান না৷ চীনা সংস্কৃতিতে পারিবারিক ঐক্য ধরে রাখার একটি বিষয় রয়েছে৷ সেটা থেকে বেরিয়ে এসে কেউ যদি পুলিশ কিংবা ‘অল-চায়না ওমেনস ফেডারেশন'-এর কাছে অভিযোগ নিয়ে যায় তখন তাঁদের (নির্যাতিত) ও নির্যাতনকারীদের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করা হয়৷ এতে পরিস্থিতির উন্নতি না হয়ে বরং আরও খারাপ হয়৷

খসড়া সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত মত কী?

এটা অবশ্যই একটা ইতিবাচক পদক্ষেপ৷ এর ফলে পারিবারিক সহিংসতা বিষয়ে সবার মধ্যে একটা সচেতনতা তৈরি হবে৷ পুলিশও এ ধরণের কোনো বিষয় তদন্ত করতে ফোর্স পাঠাতে উৎসাহী হবে৷ তবে এই খসড়ায় কিছু সীমাবদ্ধতা আছে৷ আগেই বলেছি যে, খসড়ায় অবিবাহিতদের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি৷ এছাড়া অর্থনৈতিক সহিংসতার বিষয়েও কিছু বলা হয়নি৷ যেমন কোনো নারী চাকরি না করলে জীবনযাপনের জন্য তাঁকে অর্থ না দেয়ার বিষয়টি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মতোই একটা ব্যাপার৷