1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

চীনের পারমাণবিক জ্বালানির চিন্তা ঘুচল

চীনের কেন্দ্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি’র খবর অনুযায়ী চীনা বিজ্ঞানীরা ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি পুনরায় সক্রিয় করার পন্থা আবিষ্কার করেছেন৷

View, Tianwan, nuclear, power, plant, Lianyungang, China, Beijing চীন, তিয়ানওয়ান, পারমাণবিক, স্থাপনা, জ্বালানি,

চীনের তিয়ানওয়ান পারমাণবিক স্থাপনা

চীনের জাতীয় পারমাণবিক প্রতিষ্ঠান এই নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে৷ এবং এর যে প্রয়োজন ছিল, জ্বালানি ক্ষেত্রে চীনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়৷ জ্বালানি ক্ষেত্রে চীনের দু'টি মূল লক্ষ্য হল কয়লা এবং খনিজ তেলের বিকল্প জ্বালানির অংশ বৃদ্ধি করা, এবং দ্বিতীয়ত, জ্বালানি সংস্থানের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা অর্জন করা৷ এর সঙ্গে অবশ্যই কার্বন নির্গমন হ্রাসের প্রশ্নটি যুক্ত৷ বর্তমানে চীনের জ্বালানি শক্তির শতকরা ৭০ ভাগই আসে কয়লা থেকে৷

যে কারণে চীন পরমাণু শক্তিতে বিনিয়োগের উপর আরো বেশী জোর দিয়েছে৷ সময়ের হিসেবে দেখলে, চীন ২০২০ সালের মধ্যে তার জ্বালানি উৎপাদনের অন্তত পাঁচ শতাংশ পরমাণু শক্তি থেকে আনতে চায়৷ এজন্য পরমাণু শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ গিগাওয়াট থেকে বাড়িয়ে ৭০ কি ৮০ গিগাওয়াট করা হয়েছে৷

চীনের যা ইউরেনিয়াম খনিজ সম্পদ আছে তা'তে ৫০ থেকে ৭০ বছর চলে যাবে৷ ইউরেনিয়ামের বাৎসরিক উৎপাদন এখন ৭৫০ টন কিংবা তার কাছাকাছি৷ কিন্তু ২০২০ সালের মধ্যে বাৎসরিক চাহিদা বেড়ে দাঁড়াবে ২০,০০০ টনে - জানাচ্ছে ‘চায়না ডেইলি' পত্রিকা৷ ওদিকে ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি যদি পুনরায় কাজে লাগানো যায়, তা'হলে আগামী ৩,০০০ বছর ও' নিয়ে চীনের কোনো সমস্যা থাকবে না, অন্তত সিসিটিভি'র তা'ই দাবী৷৷

অতোদূর না ভেবেও বলা যেতে পারে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির জ্বালানি ক্ষুধার পরিপ্রেক্ষিতে এটা একটা সুখবর বৈকি৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ