1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

চিলির আলোচিত খনি দুর্ঘটনা নিয়ে ছবি তৈরি হচ্ছে

২০১০ সালে চিলির একটি খনির প্রায় ৭০০ মিটার গভীরে শ্রমিকদের আটকে পড়া এবং ৬৯ দিন পর তাদের উদ্ধারের ঘটনা নিশ্চয় সবার মনে আছে৷ ঘটনাটা তখন সারা বিশ্বেই আলোড়ন তুলেছিল৷

এবার সেই দুর্ঘটনাকে রূপালি পর্দায় তুলে ধরা হবে৷ আর তাতে অভিনয় করবেন ‘ডেসপারেডো' খ্যাত অভিনেতা আন্তোনিও বান্দেরাস৷ ‘দি ৩৩' নামের এই চলচ্চিত্রের প্রযোজক মাইক মেডাভয় সম্প্রতি এই তথ্যাটি জানিয়েছেন৷

ARCHIV: Redaktionshinweis: Verwendung des Bildes ausschliesslich in engem redaktionellen Zusammenhang mit dem abgebildeten Ereignis! Auf dem Standbild eines Videos, das von der chilenischen Regierung veroeffentlicht wurde, sind verschuettete Minenarbeiter in der San-Jose-Mine in Copiapo, Chile zu sehen (Foto vom 17.09.10). Bildpaket zum Jahresrueckblick - August - 2010. (zu dapd-Text) Foto: Chile's Presidency/AP/dapd

২০১০ সালে চিলির একটি খনির প্রায় ৭০০ মিটার গভীরে শ্রমিকদের আটকে পড়া এবং ৬৯ দিন পর তাদের উদ্ধারের ঘটনা নিশ্চয় সবার মনে আছে

দুর্ঘটনাস্থল চিলির অ্যাটাকামা মরুভূমিতে আসছে শরতে মুভি তৈরির কাজ শুরু হবে৷ মেক্সিকোর পরিচালক প্যাট্রিসিয়া রিগেন এটি পরিচালনা করবেন৷

বান্দেরাসের অভিনয়ের খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মারিও সেপুলভেডা৷ তিনি ঐ ৩৩ খনি শ্রমিকের একজন ছিলেন৷ তবে সারা বিশ্বের কাছে বেশি পরিচিতি পেয়েছেন উদ্ধারকাজ চলার সময় ভিডিও-র মাধ্যমে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিয়মিত খবরাখবর দিয়ে৷ তাই গণমাধ্যমে তাঁকে ডাকা হতো ‘সুপার মারিও' নামে৷

তিনি বলছেন, ‘‘বান্দেরাস অভিনয় করবেন শুনে আমি বেশ রোমাঞ্চিত৷ আমি তাঁর অভিনয়ের বিশেষ ভক্ত৷ আশা করছি, মুভিটি দেখে দর্শকরা জীবনের মূল্য যে কত, তা বুঝতে পারবে৷

‘‘৬৯ দিন খনিতে আটকে থাকার কারণে আমরা জানি জীবনে বেঁচে থাকা, ভালোবাসার মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কোনো কিছু নেই৷''

In this screen grab taken from video, rescuers inside the San Jose Mine near Copiapo, Chile, hold a sign that reads Mission Complete in Spanish after all 33 trapped miners were rescued Wednesday, Oct. 13, 2010. (AP Photo)

উদ্ধার হওয়ার কিছুদিন পর কয়েকজনের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়

২০১০ সালের ৫ই আগস্ট বিকেলে দুর্ঘটনার সূত্রপাত৷ এর ১৭ দিন পর ৩৩ জন খনি শ্রমিকের বেঁচে থাকার খবর পাওয়া যায়৷ এই ১৭ দিন তারা তাদের কাছে থাকা দু'দিনের খাবার খেয়ে থেকেছেন৷ এরপর তাদের কাছে খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল৷

১৩ অক্টোবরের প্রথম প্রহরে একে একে তাদের বের করে আনা হয়৷ সারা বিশ্বের গণমাধ্যমে সেই দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করা হয়৷

বর্তমান অবস্থা

উদ্ধার হওয়ার কিছুদিন পর কয়েকজনের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়৷ কারও কারও এখনো রাতের বেলায় সেই দুর্বিসহ মুহূর্তের কথা মনে পড়ে৷ আর ‘সুপার মারিও' এখন বিভিন্ন জায়গায় জীবনের মূল্য সম্পর্কে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দিয়ে অর্থ উপার্জন করছেন৷

জেডএইচ/ডিজি (এপি)