1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

চিলিতে ভারতীয় বিমান ছিনতাইকারী ধৃত বলে দাবি

দশ বছর আগে কাঠমান্ডু থেকে নতুন দিল্লিগামী বিমানটি ছিনতাই করে কান্দাহার নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, আবদুল রাউফ নামে সেই ছিনতাইকারীদের একজনকে চিলিতে আটক করা হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে৷ পাকিস্তান তা অস্বীকার করেছে৷

default

ভুয়ো ভিসা নিয়ে সেদেশে ঢোকার অপরাধে চিলির পুলিশ আবদুল রাউফ নামে এক পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করে৷ অভিযোগ ১৯৯৯-এর ২৪শে ডিসেম্বর কাঠমান্ডু থেকে দিল্লি আসার পথে ১৬০ জন যাত্রি সমেত ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের আইসি-৮১৪ বিমানটি যারা ছিনতাই করে আফগানিস্তানের কান্দাহার নিয়ে গিয়েছিল, তাদের একজন ছিল এই আবদুল রাউফ৷ চিলি কর্তৃপক্ষ ইন্টারপোলের মাধ্যমে এবিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো সিবিআইকে জানায় এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ নিয়ে ঐ ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে বলেন৷ সিবিআই-এর একটি দল ইতিমধ্যেই চিলিতে গিয়ে পৌঁছেছে ঐ ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে৷ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস.এম কৃষ্ণা বলেছেন, সনাক্ত করার পরই পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করা হবে৷ চিলি সরকার জানিয়েছে সনাক্তকরণের পর ভারত চাইলে রাউফকে প্রত্যর্পণ করা হতে পারে৷

অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি, বিমান ছিনতাই-এর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে যে রাউফকে ধরা হয়েছে সে অন্য ব্যক্তি৷ আসল ব্যক্তি বহাল তবিয়তে আছেন রাওয়ালপিন্ডিতে৷ পাকিস্তানকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এটা ভারতের এক নোংরা চক্রান্ত বলে অভিযোগ করেছে পাকিস্তান৷ ধৃত আবদুল রাউফ কোনভাবেই বিমান ছিনতাই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় এবং জয়শ-ই-মহম্মদ বা অন্য কোন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নয়৷

ছিনতাই-এর অব্যবহিত পরেই ভারত সার্ক কনভেনশনের নীতিমালা অনুসারে ছিনতাইকারীদের প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়েছিল পাকিস্তানের কাছে, কিন্তু পাকিস্তান তাতে কান দেয়নি৷ ভারত ইন্টারপোলের শরণাপন্ন হলে ইন্টারপোল জারি করে রেড কর্নার নোটিশ৷

আটদিন ধরে ছিনতাইকারীদের সঙ্গে আলোচনার পর ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জেলবন্দি তিনজন কট্টর সন্ত্রাসীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় অটল বিহারি বাজপেয়ীর তৎকালীন বিজেপি সরকার৷ যে তিনজন সন্ত্রাসীকে ছেড়ে দেয়া হয়, তার অন্যতম পাকিস্তান-ভিত্তিক জয়শ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের প্রধান মাসুদ আজহার৷ ধৃত আবদুল রাউফ সম্পর্কে মাসুদ আজহারের ভাই৷

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন