1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

চিকিৎসা করতে গিয়ে চিকিৎসকও অসুস্থ!

আফ্রিকার বেশ কিছু দেশে প্রায় মহামারির রূপ নিয়েছে এবোলা৷ এই মারাত্মক ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওন আর লাইবেরিয়ায়৷ নাইজেরিয়ার একটি খবর তো আতঙ্ক আরো বাড়িয়েছে৷

লাগোসে নাকি চিকিৎসা করতে গিয়ে সংক্রমিত হয়েছেন এক ডাক্তার! সিয়েরা লিওনের প্রেসিডেন্ট আর্নেস্ট বাই করোমা এবোলার ভয়াবহতা রুখতে দেশবাসীর প্রতি একতাবদ্ধ হবার আহ্বান জানিয়েছেন৷ পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে এ পর্যন্ত ৫৭৪ জন এবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে৷ এবোলা এ পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছে ২৫২ জনের প্রাণ৷ নাইজেরিয়ায় ১৪৪০ জনের দেহে এবোলার সংক্রমণ ধরা পড়েছে, এ রোগে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৮২৬ জন৷

পশ্চিম আফ্রিকার আরেক দেশ লাইবেরিয়ার পরিস্থিতিও ভয়াবহ৷ সেখানে রোগী মারা গেলে লাশ পড়ে থাকছে ঘরে৷ কারো কারো মৃতদেহ পড়ে থাকছে বাড়ির সামনের রাস্তায়৷ কেউ সৎকার করছে না৷ ফলে জনমনে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ৷ সোমবার এ পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের দাবিতে রাজধানী মনরোভিয়ার রাস্তায় নেমে আসে শত শত মানুষ৷ বিক্ষুব্ধরা এ সময় সড়র অবরোধ করে রাখে৷

Emory University Hospital

এইডস রোগের সঙ্গে এবোলার মিল খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা

এবোলা ছড়িয়ে পড়ায় গত সপ্তাহে সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করে লাইবেরিয়া সরকার৷ অনেক সরকারি অফিসের কর্মচারীদের ৩০ দিনের জন্য ছুটি দেয়া হয়েছে৷ মূলত সুচিকিৎসা এবং সংক্রমণ এড়ানোর জন্যই এ সব উদ্যোগ নেয়া হয়৷ পাশাপাশি কোনো কোনো মন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি মৃতদেহ না ছোঁয়ারও আহ্বান জানান৷ তাই এখন ঘরে এবং রাস্তায় পড়ে থাকছে মৃতদেহ৷

প্রথমে না বলা হলেও, এবোলা যে ভয়ংকর এক সংক্রামক ব্যধি, ইতিমধ্যেই তা প্রমাণিত হয়েছে৷ তবে শুধু ছোঁয়াছুঁয়িতেই যে এ রোগের সংক্রমণ হয়, তা এখনো প্রমাণিত নয়৷ মূলত কোনো প্রাণী বা মানুষের রক্ত, বীর্য, যোনিরস বা দেহ নির্গত অন্য কোনো তরলের সংস্পর্শে এ রোগ ছড়ায়৷ বলা বাহুল্য, অনিয়ন্ত্রিত এবং অনিরাপদ যৌন মিলনে এ রোগের সংক্রমণ হয়৷ এছাড়া এই অসুখের ওষুধ বা টিকা এখনও আবিষ্কার হয়নি৷ অর্থাৎ কিছু কিছু ক্ষেত্রে এইডস রোগের সঙ্গে এবোলার মিল খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷

তাঁরা জানিয়েছেন, সংক্রমিত রোগীর শুরুতে জ্বর হয়৷ সঙ্গে থাকে তীব্র মাথা, পেশী এবং তলপেটে ব্যথা৷ রোগীর একদিকে ক্ষুধা কমে যায়, অন্যদিকে শুরু হয় পাতলা পায়খানা৷ আর ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে রোগী৷ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর হাত থেকে নিস্তার পাওয়া যায় না৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি, উইকিপিডিয়া)

নির্বাচিত প্রতিবেদন