1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘চা শ্রমিকদের জীবন অনেক কষ্টের'

‘আলাপ'-এর এবারের বিষয় চা শিল্প৷ এর নানা দিক নিয়ে পড়ে ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় চা রপ্তানি কমে যাওয়া, চা বাগানে দুর্নীতি, শ্রমিকদের কষ্ট, তাঁদের সন্তাদের লেখাপড়ার সুযোগ না পাওয়ার মতো নানা কথা নিয়ে লিখেছেন পাঠক-বন্ধুরা৷

‘বাংলাদেশের মানুষ বেড়েছে, আর মানুষের চা খাওয়ার হার বেড়েছে তার চেয়েও বেশি৷ কিন্তু চা বাগান বাড়েনি৷' চা রপ্তানিকারক হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান আগের চেয়ে খারাপ হওয়ায় ফেসবুক পাতায় এই মন্তব্য পাঠক মোস্তাক হোসেনের৷

শিশির রাজা জানাচ্ছেন যে, তিনি আগে চা পান করতেন না৷ কিন্তু এখন তিনি দিনে তিনবারেরও বেশি চা খান৷ আর এভাবেই দেশে চায়ের চাহিদা বেড়েছে৷ আর এখন তো বাংলাদেশই চা আমদানি করছে বিদেশ থেকে, জানিয়েছেন আনন্দ সুলতানা৷

চা উৎপাদন বন্ধ হলে অন্য কোনো শিল্প নিয়ে চিন্তা করা উচিত বলে মনে করেন মেহেদি আসিফ৷ তিনি দুঃখ করে লিখেছেন, চা বাগানগুলো থেকে নাকি শ্রমিকদের অমানবিক কম মজুরি দেয়া হয়

চা বাগানের কর্মকর্তরা দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে গেছেন বলে মনে করেন ফুয়াদ হাসান৷

চা শ্রমিকের কাজ অনেক কষ্টের৷ এ কথা যাঁরা জানেন না, তাঁদের সে কথা জানার অনুরোধ করেছেন ফেসবুকে ডয়চে ভেলের পাঠক মকসুদ পারভেজ৷ বলেছেন, শ্রমিকরা সারাদিন এত কষ্ট করার পর মাত্র ৭০ থেকে ৮০ টাকা মুজুরি পেয়ে থাকেন৷ তার ওপর চা শ্রমিকদের সন্তানদের লেখাপড়া শেখারও তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই৷

বিষয়টি নিয়ে আরো বিস্তারিতভাবে লিখেছেন মো. সালাউদ্দিন৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘আসলে চা বাগানের মালিকরা কখনোই চান না যে, চা শ্রমিকেরা বা তাঁদের সন্তানেরা শিক্ষিত, সচেতন হয়ে উঠুক৷ কারণ তাহলে তো আর মালিকরা এত অল্প মজুরি দিয়ে তাদের খাটাতে পারবেন না৷ বাইরে এই দামে কোনো শ্রমিকও পাবেন না৷ তাই এটি মালিকদের এক ধরণের কৌশল৷ মানে শ্রমিকদের আটকে রাখার কৌশল হিসেবেই তাঁরা শ্রমিক শ্রেণিকে শিক্ষিত হতে দিচ্ছে না বা দেবে না৷''

পাঠক মো. সালাউদ্দিনের কথার জের ধরে অর্জুন বৈদ্য লিখেছেন, ‘‘যদি তাঁদের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষিত হয়, তাহলে তারা তো চা শ্রমিক হয়ে কাজ করবে না৷ অর্থাৎ গাছের গোড়ায় পানি না দিলে সে গাছও বেড়ে উঠবে না৷''

পাঠক নাসিম আহমেদ অবশ্য মনে করেন, এ ব্যাপারে সরকারকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন