1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘চাপ কমানোর কৌশল, চূড়ান্ত বিচ্ছেদ নয়'

ঢাকায় সোমবারের ১৮ দলের সমাবেশে প্রধান শরিক জামায়াতের অনুপস্থিতি এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে৷ বিএনপি নেতারা এ ব্যাপারে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন৷ আর জামায়াত নেতারা আছেন চুপচাপ৷

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে জামায়াতকে নিয়ে বিএনপির ওপর চাপ বাড়ছে৷ বিশেষ করে, জামায়াতের কারণে সহিংসতার দায় নিতে হচ্ছে বিএনপিকে৷ এ নিয়ে সরকারের দিক থেকে যেমন বিএনপির ওপর চাপ আছে৷ আন্তর্জাতিক মহল থেকেও চাপ অব্যাহত আছে৷ তারা কোনোভাবেই সহিংসতাকে গ্রহণ করছেন না৷

তাই সোমবার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের সমাবেশে জামায়াত না থাকার কারণ খুঁজছেন অনেকেই৷ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল মাহবুবুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘জামায়াত কর্মসূচিতে থাকলে অনেক প্রশ্ন এবং ভীতি চলে আসে৷ সোমবার সমাবেশে জামায়াতের অনুপস্থিতির কারণে বিএনপি স্বস্তিতে আছে৷ আর জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির জোটগত সম্পর্ক সাময়িক এবং কৌশলগত৷''

তবে বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুখ বলেন ভিন্ন কথা৷ তিনি বলেন, ‘‘সোমবারের সমাবেশে জামায়াত প্রকাশ্যে অংশ নেয়নি৷ সমাবেশের মধ্যে যে তারা উপস্থিত ছিল না সেটা নিশ্চিত নয়৷'' জামায়াত নেতাদের ব্যক্তিগত নিরপত্তার কারণে এমনটি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘বিএনপির অনেক নেতাও কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেননি৷''

আর বিশ্লেষকরা একে দেখছেন বিএনপির চাপ কমানোর কৌশল হিসেবে৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. শান্তনু মজুমদার ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বিএনপি অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক চাপ কমিয়ে আনতে হয়ত কৌশল নিয়েছে৷ জামায়াতের কাছ থেকে একটু দূরত্ব বজায় রেখে চলা শুরু করেছে৷'' কিন্তু শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে বাদ দেয়া বিএনপির পক্ষে সম্ভব নয় বলেই মনে করেন তিনি৷ তিনি বলেন, ‘‘এই দূরত্ব রেখে বিএনপি হয়ত কয়েকমাস দেখবে তার ফল কি হয়৷ আর তাতে যদি কোনো ফল না আসে, বিএনপিকে যদি আবার হরতাল-অবরোধে যেতে হয়, তাহলে জামায়াতকে তার লাগবেই৷ নিকট অতীতে তার প্রমাণ আছে৷'' শান্তনু মজুমদার বলেন, ভোটের হিসাব করলেও জামায়াতকে বিএনপির প্রয়োজন৷

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শফিউল আলমও মনে করেন যে, বিএনপি আপাতত জামায়াতকে কৌশলগত কারণেই একটু দূরে রাখাতে চায়৷ তবে শেষ পর্যন্ত এটা বিএনপি-জামায়াতের সম্পর্কে নতুন কোনো মোড় নেবে কিনা – তা বুঝতে হলে আরো অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে করেন তিনি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়