চলে গেলেন প্রখ্যাত মার্কিন পরিচালক সিডনি লুমিট | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 10.04.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

চলে গেলেন প্রখ্যাত মার্কিন পরিচালক সিডনি লুমিট

মারা গেলেন প্রখ্যাত মার্কিন পরিচালক সিডনি লুমিট৷ লস অ্যাঞ্জেলেসে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ ম্যানেজমেন্ট এর মুখপাত্র মিশেলে সুস জানালেন লুমিটের মৃত্যুর খবর৷ তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর৷

প্রখ্যাত, মার্কিন, পরিচালক, সিডনি, লুমিট, US, film, director, Sidney, Lumet, American, Film, Festival,

প্রখ্যাত মার্কিন পরিচালক সিডনি লুমিট

বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধের সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিচালকদের একজন লুমিট৷ ৪০ টিরও বেশি ছবি তৈরি করেছেন তিনি৷ নিজের শহর নিউ ইয়র্কেও অনেকগুলো ছবির চিত্রধারণ করেছেন তিনি৷

২০০৫ সালে আজীবন সম্মাননার স্মারক হিসেবে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড পান লুমিট৷ তবে অস্কার পুরস্কারের জন্য পাঁচবার মনোনীত হলেও শেষ পর্যন্ত অস্কার পদক পাননি৷ ১৯৫৭ সালে সেরা পরিচালক হিসেবে অস্কারের জন্য মনোনীত হন তাঁর জনপ্রিয় ছবি ‘টুয়েলভ অ্যাঙ্গরি মেন' এর জন্য৷ এরপর ১৯৭৫ সালে ‘ডগ ডে আফটারনুন', ১৯৭৬ সালে ‘নেটওয়ার্ক', ১৯৮১ সালে ‘প্রিন্স অফ দ্য সিটি' এবং ১৯৮২ সালে ‘ভারডিক্ট' ছবিগুলো অস্কারের বাছাই তালিকায় স্থান পায়৷

‘নেটওয়ার্ক' ছবিটি ১০টি অস্কার পদকের জন্য মনোনীত হয়৷ তবে সেরা অভিনেতা, সেরা অভিনেত্রীসহ চারটি অস্কার পদক জোটে৷ এছাড়া অস্কারের বিভিন্ন ধারায় ৫০টিরও বেশি পদকের জন্য মনোনয়ন পেয়েছে লুমিটের ছবি৷ লুমিটের অধিকাংশ সেরা ছবিগুলো তৈরি হয়েছে ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৬ - এই এক যুগ সময়ে৷ এসময় ১৮টি ছবি করেন লুমিট৷ এগুলোর মধ্যে ‘ফেইল-সেইফ', ‘দ্য পনব্রোকার', ‘দ্য গ্রুপ', ‘দ্য অ্যান্ডারসন টেপস', ‘ডগ ডে আফটারনুন' এবং ‘নেটওয়ার্ক' উল্লেখযোগ্য৷

১৯২৪ সালের ২৫ জুন ফিলাডেলফিয়ায় জন্ম এই মহান পরিচালকের৷ মাত্র চার বছর বয়সেই নিউ ইয়র্কের ইডিশ আর্ট থিয়েটারে প্রথম মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন শিশু লুমিট৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সেনাবাহিনীর রাডার প্রযুক্তিবিদ হিসেবে কাজ করেন৷ এরপর আবারও নিউইয়র্কে অনেকগুলো মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন তিনি৷ পঞ্চাশের দশকে শুরু করেন নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজ৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: জাহিদুল হক