1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

চব্বিশ ঘণ্টায় দু’টি বিয়ে করতে যাচ্ছেন আজহার

পাকিস্তানের সমাজ ব্যবস্থায় পরিবারের পছন্দে বিয়ে করাটাই রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ কিন্তু ছেলের যদি অন্য কোন পছন্দ থাকে তখনই দেখা দেয় বিপত্তি৷ এমনই এক পারিবারিক সংকটের নতুন সমাধান দিলেন এক পাকিস্তানি তরুণ৷

চব্বিশ, ঘণ্টা, বিয়ে, Pakistan, Marriage,

বয়স ২৩ বছর৷ নাম আজহার হায়দারি৷ পাকিস্তানের সমাজ ব্যবস্থায় আজহারকে বিয়ের জন্য বেশ উপযোগী বলেই মনে করছে আজহারের পরিবার৷ বিয়ের জন্য পাত্রীও ঠিকঠাক করে রেখেছেন পিতা-মাতা৷ নাম হুমায়রা কাসিম৷ অবশ্য পাত্রীর বয়স ২৮ বছর৷ হায়দারির চেয়ে পাঁচ বছর বেশি হলেও পিতা-মাতার পছন্দ বলে কথা৷ এদিকে, হায়দারির নিজের পছন্দ ২১ বছর বয়সি রুমানা আসলামকে৷ তাই হুমায়রাকে বিয়ে করতে প্রথমে রাজি হননি আজহার৷ কিন্তু পরিবারের চাপে শেষ পর্যন্ত বিয়েতে রাজি হতে হয় তাঁকে৷ কিন্তু বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়ালো প্রেমিকা রুমানা৷

এমন সংকট কাটাতে প্রায়ই ব্যর্থ হন বিয়ের বয়সি তরুণরা৷ তবে আজহার পরিচয় দিলেন বেশ পাকা বুদ্ধির৷ সংকটের সমাধান করলেন নিজেই৷ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পিতা-মাতার পছন্দের পাত্রী এবং নিজের পছন্দের প্রেমিকা দু'জনকেই বিয়ে করবেন তিনি৷ ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী পাকিস্তানের আইনেও বহুবিবাহ বৈধ৷ ফলে আইনগত দিক থেকেও কোন বাধা নেই এমন বিবাহে৷ তাই আজহারের পরিকল্পনা একইদিনে বিয়ে করবেন হুমায়রা এবং রুমানাকে৷

যদিও বহুবিবাহ বৈধ কিন্তু পাকিস্তানের সমাজে কোন পুরুষ একাধিক বিয়ে করতে চাইলে সাধারণত তা করে থাকেন বেশ দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে৷ কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দু'টি বিয়ে করার আজহারের এমন সিদ্ধান্ত বেশ আলোড়ন তুলে ফেলেছে মুলতানে৷ শুধু মুলতানেই নয়, বরং আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সর্বত্রই৷ এমনকি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও নাকি হুমড়ি খেয়ে পড়েছে এই অদ্ভুত বিয়ের সংবাদ এবং ছবি সংগ্রহের জন্য৷

রবিবার মধ্য পাকিস্তানের শহর মুলতানে হুমায়রা কাসিমের সাথে প্রথম বিয়ের আগে আজহার কথা বলেছেন বার্তা সংস্থা এপি'র সাথে৷ তিনি বলেন, ‘‘আমি উভয়কেই বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়েছি এবং তাতে দু'জনেই সম্মত৷'' এমনকি উভয় পাত্রীই নাকি সাংবাদিকদের কাছেও অকপটে স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা এটিকে একটি উত্তম সমাধান হিসেবে দেখছেন এবং তাঁরা দুই বোন এবং বন্ধুর মতো জীবনযাপনের পরিকল্পনা করছেন৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

নির্বাচিত প্রতিবেদন