চট্টগ্রামে নববর্ষ, হালখাতার হাল এবং বিপন্ন কাছিম | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 15.04.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

চট্টগ্রামে নববর্ষ, হালখাতার হাল এবং বিপন্ন কাছিম

বর্ষ বরণের দিনে গণমাধ্যমগুলোতেও ছুটির মেজাজ৷ কিন্তু তারই মধ্যে যেন রাজনীতি-অর্থনীতি ছাড়িয়ে দেশের অন্য আরেকটা ছবি ফুটে উঠেছে৷

default

চট্টগ্রাম বন্দর

যেমন ধরা যাক চট্টগ্রামে নববর্ষের উৎসব৷ প্রথমেই ‘বৃষ্টির সাময়িক যন্ত্রণার' কথা লিখেছে বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷ তারপরেই অবশ্য আসছে: ‘বৃষ্টি শেষ না হতেই গানের টানে, প্রাণের টানে ঘর ছেড়েছেন চট্টগ্রামবাসী৷' নগরীতে বর্ষবরণের মূল আসর ছিল দৃশ্যত ডিসি হিলে৷ সকাল আটটা নাগাদ কালো মেঘ, জোর বৃষ্টি৷ অন্যান্য সব অনুষ্ঠানও নাকি ঐ বৃষ্টির জেরে বন্ধ হয়ে যায়৷ আমার মন কেড়েছে, মন করেছে আরেকটি খুঁটিনাটিতে: ডিসি হিলের অনুষ্ঠানে ছিল আরো অনেক কিছুর মধ্যে বাউল গান, এবং চাকমা, মারমা, মুরং ও বং নাচ৷ ও হ্যাঁ, ওখানেই বৈশাখী মেলায় পান্তা-ইলিশের দাম ছিল প্লেট প্রতি দেড়'শ টাকা৷

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আরেক প্রতিবেদক দুঃখ করে একটি নাতিদীর্ঘ লেখা লিখেছেন এই কম্প্যুটারের যুগে ব্যবসায়ীদের পুরনো হালখাতা আর সেই সংক্রান্ত আচার-আচরণ উধাও হওয়া নিয়ে৷ হালখাতাও গেছে, ক্রেতাদের আপ্যায়নও গেছে, শুধু সোনার দোকানগুলোতে নাকি এখনও হিসেব রাখতে খাতা ব্যবহার করা হয়৷

Frisch geschlüpfte Meeresschildkröten

এই সেই কাছিম

বাকি থাকে গোপালগঞ্জে বিপন্ন কাছিমদের দু'শো বছরের মেলা বন্ধ হবার খবর৷ এখানে প্রতিবছর প্রায় ১৫ লাখ টাকার কাছিম বিক্রি হতো৷ তা থেকেই বোঝা যায়, শেষমেষ কাছিমও যেতো, আর সেই সঙ্গে মেলাও যেতো৷ কে জানে, এবার হয়তো কাছিম বাঁচবে এবং মেলাও ফিরবে একদিন না একদিন৷ ও হ্যাঁ, কাছিমের মাংসের দর যাচ্ছিল কিলো প্রতি ছ'শো টাকা৷

তা'তে অবশ্য পান্তা-ইলিশের খদ্দেরদের বিশেষ যায় আসে না৷

গ্রন্থনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন