1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

চটজলদি স্মার্টফোন চার্জের অভিনব পন্থা

স্মার্টফোন ছাড়া আজ জীবন প্রায় অচল৷ কিন্তু যখন-তখন তার চার্জ ফুরিয়ে গেলেই মুশকিল৷ আজকাল বাজারে অনেক চার্জার এসেছে বটে, কিন্তু সেগুলোকেও তো চার্জ করতে হয়৷ জার্মানির একটি কোম্পানি এক অভিনব সমাধানসূত্র বার করেছে৷

জরুরি ফোন কল৷ কিন্তু ফোনের ব্যাটারি যে শেষ! সাশা ক্যুন অনেকবার এমন অবস্থায় পড়েছেন৷ তাঁর আইডিয়া হলো এমন এক ডিভাইস তৈরি করা, যার মধ্যে মোবাইল ফোন চার্জ করার জন্য যথেষ্ট শক্তি থাকবে৷ তিনি বলেন, ‘‘এটা একটা ফুয়েল সেল, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে৷ এটা সত্যি একটা জেনারেটর৷ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো৷ এটি দিয়ে যখন খুশি মোবাইল ফোন চার্জ করা যায়৷ সঙ্গে শুধু গ্যাস থাকলেই হবে৷''

এই ফুয়েল সেলে লাইটারের গ্যাস ভরা হয়৷ গোটা বিশ্বেই তা পাওয়া যায় – এমনকি আফ্রিকা ও দক্ষিণ অ্যামেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলেও৷ এখনো পর্যন্ত ফুয়েল সেলে হাইড্রোজেনের প্রয়োজন হতো৷ কিন্তু তার নাগাল পাওয়া বেশ কঠিন৷

ড্রেসডেন শহরে ক্যুন-এর কোম্পানি ‘ই-সেলেরন' গত ৫ বছরে এই সমস্যার সমাধান করেছে৷ লাইটারের গ্যাস চালিত ফুয়েল সেল-এর চাহিদা মেটাতে তিনি হিমশিম খাচ্ছেন৷ এই প্রযুক্তিতে কোনো ক্ষতিকারক ধোঁয়াও বের হয় না৷ সাশা বলেন, ‘‘কিকস্টার্টার-এর মাধ্যমে মাত্র এক মাসেই আমরা ১০,০০০-এরও বেশি ডিভাইস বিক্রি করেছি৷ অথচ ক্রেতাদের অনেক অপেক্ষা করতে হয়েছে৷ তাই আমাদের অনুমান, বাজারে একে ঘিরে এখনকার তুলনায় আরও অনেক বেশি আগ্রহ সৃষ্টি হবে৷ এই বিশাল মাত্রা সম্পর্কে আমরা খুবই আনন্দিত৷''

চলতি বছর তিনি এক লাখ ডিভাইস বিক্রি করতে চান৷ গোটা বিশ্বে প্রায় সাড়ে তিন কোটি স্মার্টফোন রয়েছে৷ অর্থাৎ এর বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে৷ ক্যুন-এর কোম্পানি সেই আয়ে ভাগ বসাতে চায়৷ তখন হয়ত আর আলাদা ব্যাটারি চার্জারের প্রয়োজন হবে না, যার নিজেরই চার্জের প্রয়োজন হয়৷

এই মিনি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল অংশই হলো ফুয়েল সেল৷ ‘মেড ইন জার্মানি'৷ উপাদানগুলিও নিজস্ব৷ এতকাল সেরামিক দিয়ে ফুয়েল সেল তৈরি হতো, যা বেশ ভঙ্গুর৷ ডেভেলাপার ইঞ্জিনিয়ার ড. আন্দ্রেয়া স্ট্যোক বলেন, ‘‘সেরামিক খুবই নাজুক৷ তাই আমরা ধাতুর ভিত্তিতে আমাদের ফুয়েল সেল তৈরি করেছি৷ তাই সেটি অত্যন্ত মজবুত৷ হাত থেকে পড়লে ভাঙে না৷ ফলে মোবাইলে এর নানাবিধ ব্যবহার সম্ভব৷''

কোম্পানির প্রধান ক্যুন আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে চান৷ ল্যাপটপের জন্য আরও শক্তিশালী মডেলের পরিকল্পনা চলছে৷ ক্যাম্পিং-এর সময় যে গ্যাস ব্যবহার করা হয়, তার সিলিন্ডার দিয়ে সেটি চলবে৷ এই প্রযুক্তি হয়ত একদিন ইলেকট্রিক সাইকেল বা গাড়িতেও প্রয়োগ করা হবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক