1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

‘গ্লান্ৎসবিল্ড': চকমকে ছবি

জার্মানে এদের নাম ‘গ্লানৎসবিল্ড' বা চকমকে ছবি, বোধহয় অভ্রের গুঁড়ো মাখানো থাকত বলে৷ স্টিকার হিসেবে বা বড়দিনের কার্ডে হয়তো আপনারাও দেখেছেন, অন্য এক জগতের, অন্য এক মানসিকতার সব ছবি৷

ঊনবিংশ শতাব্দীর সব ছবি আর নকশা – স্টেন্সিল করা কিংবা প্রেস করা, আর বিশেষ করে বড়দিনের সময় অভ্রের গুঁড়ো মাখানো এই সব ‘গ্লান্ৎসবিল্ড' আজও সারা দুনিয়ায় বিক্রি হয়৷

‘গ্লান্ৎসবিল্ড' বিক্রেতা রাল্ফ-টর্স্টেন ফ্রাইহোফ বলেন, ‘‘বিশেষ করে আজকের দিনে আমরা যে দুনিয়ায় থাকি, তার সঙ্গে এর অনেক তফাৎ৷ সহিংসতায় ভরা পৃথিবী, ক্রমেই আরো বেশি জোরে, আরো বেশি উঁচু, আরো রঙীন – আমাদের ছবিগুলো কিন্তু মানুষের মনে ঠিক তার উল্টো প্রভাব সৃষ্টি করে৷''

রাল্ফ-টর্স্টেন ফ্রাইহোফ আর তাঁর বোন আনে-রুথ দু'জনে মিলে ‘ইএফ গ্লান্ৎসবিল্ডার' কোম্পানিটি চালান৷ বহু দশক ধরে তিনি পুরনো পোয়েট্রি অ্যালবাম আর বই সংগ্রহ করে আসছেন৷

পোয়েট্রি অ্যালবামে অনেক সময় নানা ছবি কেটে জোড়া দেওয়া সব ‘কোলাজ' পাওয়া যায়৷

রাল্ফ-টর্স্টেন ফ্রাইহোফ জানালেন, ‘‘না, আমার নিজের কখনো পোয়েট্রি অ্যালবাম ছিল না৷ কিন্তু আমি ছেলেবেলা থেকেই এ ধরনের ছবি সংগ্রহ করতে শুরু করি৷ শুধু জার্মানিতে নয়, ফ্রান্সের ফ্লি মার্কেটে গিয়ে এইসব চকমকে ছবি সংগ্রহ করেছি আমি, যা আমার আজকের কলেকশানের ভিত্তি৷''

তাঁর সংগ্রহের নানা ছবি ও নকশার অনুকরণ করে তাঁর কোম্পানির স্ক্র্যাপ ছবি তৈরি করা হয়৷ একটি বিশেষ কোম্পানি ঐতিহাসিক ছবিগুলিকে তাদের ইম্প্রিন্ট সহ স্ক্যান করে৷ পরে রাল্ফ-টর্স্টেন একক ছবিগুলো বেছে বেছে একটি নতুন পিকচার শিট তৈরি করেন৷

রাল্ফ-টর্স্টেন ফ্রাইহোফ শোনালেন, ‘‘মাঝেমধ্যে এমনও হয় যে, বিশেষ করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা তাঁদের পোয়েট্রি অ্যালবামগুলো পাঠান, সাথে চিঠিতে লেখা থাকে, ‘‘আশা করি আপনি এগুলো যত্নে রাখবেন, তাহলে এগুলো অতীতের সাক্ষী হিসেবে বেঁচে থাকবে৷''

প্রতিটি নতুন পিকচার শিটে অনেক হাতের কাজ থাকে৷ আর ছবিগুলো মানুষের চোখে আনন্দের ঝিলিক এনে দেয় বলেই বোধহয় তাদের নাম ‘গ্লানৎসবিল্ড' বা চকমকে ছবি৷

প্রতিবেদন: আক্সেল প্রিমাভেসি/এসি

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়