1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

‘গ্রুপ অফ ডেথ’-এ কে বাঁচে, কে হারে

গ্রুপ জি: অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ঘানা ও পর্তুগাল৷ গ্রুপের শেষ দু’টি খেলা বৃহস্পতিবার: অ্যামেরিকা বনাম জার্মানি, ঘানা বনাম পর্তুগাল৷ সব দলই প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছনোর আশা – কিংবা বাদ পড়ার আশঙ্কা করতে পারে৷

default

একসময় যুক্তরাষ্ট্রের কোচ ক্লিন্সমানের সহকারী ছিলেন জার্মানির বর্তমান কোচ ল্যোভ

পয়েন্টের পরিস্থিতি এখন এই: জার্মানি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চার পয়েন্ট; ঘানা এবং পর্তুগাল এক পয়েন্ট৷ সেই সঙ্গে থাকছে গোল ডিফারেন্স৷ সেখানেও পর্তুগাল একেবারে তলানি৷ বৃহস্পতিবার রেসিফের মাঠে জার্মানি আর অ্যামেরিকা যদি পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নেয়, তাহলেই দু'টি দল পাঁচ পয়েন্ট করে নিয়ে সোজা প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যাবে৷ মুশকিল এই যে, সারা বিশ্বও সেটা জানে৷

সারা বিশ্ব এটাও জানে যে, মার্কিন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের স্বদেশ হলো জার্মানি; তিনি ছিলেন জার্মানির বিশ্বকাপ জেতা দল এবং ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা দলের সদস্য৷ ২০০৬ সালে তিনি যখন জার্মান জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান, তখন তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন অ্যাসিস্ট্যান্ট কোচ ইওয়াখিম ল্যোভ৷ কাজেই পয়েন্ট ভাগাভাগির জন্য দুই পুরাতন সম্বন্ধীর মধ্যে একটা ফোনালাপই তো যথেষ্ট৷

কিন্তু সে ফোনালাপ ঘটবে না৷ ‘‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিটি খেলা জান লড়িয়ে খেলে৷ আমাদের সে সুনাম এবং ফাইটিং স্পিরিট ও এনার্জি আছে৷ ড্র করা আমাদের স্বভাব নয়৷ উভয় দলই ম্যাচ জিতে গ্রুপে প্রথম হতে চাইবে,'' বলেছেন ক্লিন্সমান৷ বলতে কি, ‘ক্লিন্সি' তাঁর দল সম্পর্কে যা বলেছেন, ‘ইওগি' তাঁর দল সম্পর্কে ঐ একই কথা বলতে পারেন৷ অ্যামেরিকানদের মতো জার্মানরাও হাল ছাড়তে জানে না৷

কাজেই ২৬শে জুন রেসিফেতে সেয়ানে সেয়ানে কোলাকুলি নয়, বরং সমানে সমানে ষাঁড়াষাঁড়ি হবার সম্ভাবনাই বেশি, কেননা জার্মান ফুটবলের গুণগত বৈশিষ্ট্যগুলির অনেকটাই ধীরে ধীরে মার্কিন ফুটবলে সঞ্চারিত করেছেন ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান৷ কিন্তু জার্মানদের যেখানে মনমরা এবং হতাশ হবার একটা সহজাত প্রবণতা আছে, তার স্থান নিয়েছে এক সহজাত মার্কিন আশাবাদিতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষমতা, যার কল্যাণে এই মার্কিন দল খেলছে এক মন, এক প্রাণ হয়ে; দৌড়াচ্ছে মাঠ জুড়ে এবং দেখা যাচ্ছে, ফুটবলের ‘বেসিক' স্কিলগুলির একটিও তাদের রপ্ত করা বাকি নেই৷

ক্লিন্সমানকেও সহজে মেনে নেয়নি অ্যামেরিকা৷ তিনি নাকি প্লেয়ারদের বড় বেশি ট্রেনিং করিয়েছেন৷ তা সত্ত্বেও মানাউসের ৩০ ডিগ্রি গরম আর ৬৫ শতাংশ আর্দ্রতায় মার্কিনিরা যে খেল দেখিয়েছে, তা ক্লিন্সমানের প্রি-টুর্নামেন্ট বুট-ক্যাম্প ছাড়া সম্ভব হতো না – এটা আজ সকলেই বুঝেছে৷ অপরদিকে ক্লিন্সমান বলেছেন, প্লেয়ার, ফ্যান, কোচ এবং বিকল্প খেলোয়াড়রা, সকলকেই এবার এই ম্যাচ ভুলে আগের ম্যাচটার কথা ভাবতে হবে, কেননা বিশ্বকাপ মানেই পরের গেমটা নিয়ে মাথাব্যথা৷

এসি/ডিজি (ডিপিএ, এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন