1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘গ্রিসের ইউরো থেকে বিদায় নেওয়াই ভালো'

জার্মানির খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী দল বা সিডিইউ-এর সাংসদ ক্লাউস-পেটার ভিলশ ২০১০ সাল থেকেই সংকটপীড়িত ইউরো দেশগুলির জন্য ত্রাণ কর্মসূচির বিরোধিতা করে আসছেন৷ ‘পরিস্থিতির জন্য গ্রিকরা নিজেরাই দায়ি', বললেন ভিলশ৷

সম্প্রতি ইউরো গোষ্ঠীর বৈঠকের আগে সংসদে ইউনিয়ন দলগুলির বাজেট বিষয়ক মুখপাত্র ক্লাউস-পেটার ভিলশ-কে টেলিফোনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন জার্মান বেতার সংস্থা ডিএলএফ-এর সম্পাদিকা বেটিনা ক্লাইন৷

বেটিনা ক্লাইন: তাহলে কি গ্রিসকে ইউরো জোনে রাখার সব প্রচেষ্টা বন্ধ করা উচিত?

ক্লাউস-পেটার ভিলশ: গ্রিক সরকারের সব দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোর প্রবণতার পরিপ্রেক্ষিতে এ পক্ষ যে সব কিছু করার চেষ্টা করছে, সেটা দেখানোটা বোধহয় ভালো৷ কিন্তু আমার কাছে কার দোষ কতোটা, তা স্পষ্ট৷... (গ্রিস) নিজেই এই সংকট সৃষ্টি করেছে

(জার্মানির) বামদল বলছে, গ্রিসকে কোনো অর্থ প্রদান করা হয়নি; টাকা গেছে (গ্রিক) ব্যাংকগুলোর কাছে, তাদের আরো স্থিতিশীল করতে৷

CDU Klaus-Peter Willsch

ক্লাউস-পেটার ভিলশ

এক-তৃতীয়াংশ গেছে ব্যাংকগুলোর কাছে৷....আর এক তৃতীয়াংশ গেছে গ্রিকদের ফোলা-ফাঁপা জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে, অর্থাৎ বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি মেটাতে৷ আরো এক-তৃতীয়াংশ যাচ্ছে গ্রিস থেকে পুঁজি পাচারের ইন্ধন জোটাতে৷ সে টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নিয়ে বিদেশে পাচার করা হয়েছে৷

তাহলে কি আলাপ-আলোচনা চালিয়ে কোনো লাভ আছে বলে আপনার ধারণা?

সত্যি বলতে কি, মিস্টার চিরপাস-এর পিছন পিছন ধামাধরা হয়ে ঘুরে তাঁকে দয়া করে টাকাটা নিতে বলাটা খুব সম্মানের কাজ বলে আমার মনে হচ্ছে না৷ আমার কাছে ওটা খুবই অস্বাভাবিক৷

গ্রিস আদৌ ইউরোয় থাকতে চায় না, শুধু ইউরো থেকে বেরনোর জন্য সর্বোচ্চ মূল্য আদায় করতে চায় (বলে কারো-কারো ধারণা)৷ আপনার কী মত?

গত চার-পাঁচ মাস ধরে ওরা তা-ই করে আসছে৷ সেই সঙ্গে টাঁকশালে সমানে ইউরো ছাপা চলেছে৷ গ্রিসের আপৎকালীন নগদ তহবিল ইতিমধ্যে ৮৩ বিলিয়ন ইউরোয় গিয়ে দাঁড়িয়েছে৷ এর প্রায় সবটাই কাঁচা টাকা, যা ব্যাংক থেকে তুলে নিয়ে অন্য কোথাও জমা রাখা হচ্ছে, কিংবা সরাসরি বিদেশে পাচার করা হচ্ছে৷

কিন্তু গ্রেক্সিট, অর্থাৎ গ্রিসের ইউরো এলাকা থেকে বিদায় নেওয়ার দামটা কি পড়বে?

এখনো অবধি গ্রিসে আমাদের যে মূলধন আটক আছে, তার অনেকটাই খোয়া যাবে বলে আমাদের ধরে নিতে হবে৷ ওরা তা ফেরৎ দিতে পারবে না৷ এখন প্রশ্ন হলো: আমরা কি বাজে বকেয়ার পিছনে ভালো টাকা ঢালব, নাকি এখানেই ইতি টানব৷ প্রতিযোগিতায় টিঁকে থাকার ক্ষমতার বিচারে গ্রিসের ইউরো এলাকায় থাকার যোগ্যতা নেই৷ দেশে বিভিন্ন কাঠামোর সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে বহু বছর ধরে আমাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসা হচ্ছে, সে কাজও ঠিকমতো এগোচ্ছে না৷ কোনো কার্যকরি কর প্রশাসন নেই৷ ইইউ তার সংহতি তহবিল, কাঠামো তহবিল ইত্যাদি থেকে গ্রিসের জন্য যা করছে, তার শতকরা ৯৫ ভাগই ইতিমধ্যে ভরতুকি৷ ফেরৎ দিতে হবে মাত্র পাঁচ শতাংশ৷....তা-ও ওরা করে উঠতে পারছে না৷

২০১০ সালের মে মাসে জার্মান সংসদের ভোটে যে পাঁচজন সদস্য গ্রিসের জন্য আর্থিক সাহায্য এবং সাধারণভাবে ইউরো ত্রাণ কর্মসূচির বিরুদ্ধে ভোট দেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন সিডিইউ সাংসদ ক্লাউস-পেটার ভিলশ৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়