1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

গ্যাস নিয়ে বিরোধ নিস্পত্তিতে আম্বানি ব্রাদার্সের চুক্তি

ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের আম্বানি ব্রাদার্স৷ দুই ভাই-এর মধ্যে সম্পর্কের অবনতি কিন্তু অর্থের জন্যই৷ কিন্তু এই সম্পদের ভাগাভাগির বিষয়ে একটি জটিল সমস্যার নাকি সমাধান হয়েছে৷

default

আম্বানি ব্রাদার্স

২০০৭ সাল৷ ভারতের প্রথম ট্রিলিওনিয়ার হিসেবে চিহ্নিত হলেন একজন৷ তাঁর নাম মুকেশ আম্বানি৷ শিল্পগোষ্ঠী রিলায়েন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজের মালিক৷ ১ লক্ষ কোটি রুপির বেশি সম্পদওয়ালা এই ধনকুবেরের সঙ্গে সরাসরি বিরোধ বাধে তারই ছোট ভাই অনিল আম্বানির সঙ্গে৷ বিরোধের সূত্রটা কিন্তু পারিবাবিক মালিকানায় থাকা গ্যাস সম্পদ নিয়ে৷ কে পাবে কত অংশ এ নিয়ে এই মামলা শেষ অবধি দাঁড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে৷ আর মামলায় গত মাসে মুকেশ আম্বানির পক্ষে রায় দেয় আদালত৷

বাবা ধিরুভাই আম্বানির মৃত্যুর পর সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ শুরু হয় ২০০২ সালে ৷ সাত মাসের কলহের পরিণতিতে ২০০৫ সালে রিলায়েন্স গ্রুপ ভাগ হয়ে যায়৷ বড় ভাই মুকেশের হাতে যায় তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যালস ব্যবসা, যা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ গ্রুপ নামেই পরিচিত৷ আর অনিলের হাতে চলে যায় সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স জ্বালানি, ফোন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো, যা রিলায়েন্স ন্যাচারাল রিসোর্সেস লিমিটেড (আরএনআরএল) নামেই পরিচিত৷ এ সময়ে মায়ের মধ্যস্থতায় মুকেশের মালিকানাধীন গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস কেনার বিষয়ে একটি দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয় অনিলের জন্য৷ গ্যাসের যে দাম নির্ধারণ করা হয়, তা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে শতকরা ৪৪ ভাগ কম৷

তবে পারিবারিক বিরোধ তাতে কমেনি৷ বরঞ্চ তা যায় বেড়ে৷ ফলাফলে উচ্চ আদালত৷ পরে একটা রফা৷ শুক্রবার এক সংবাদে জানা গেলো, প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকার মালিক ছোট ভাই অনিল আম্বানির সঙ্গে বিরোধ মিটছে৷ দুই জনের মালিকাধীন দুই কোম্পানি যথাক্রমে রিলায়েন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজ এবং রিলায়েন্স ন্যাচরাল রির্সোসেস লিমিটেড এ বিষয়ে চুক্তি করেছে৷ অবশ্য এই চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি৷ আর এই সংবাদটি চাউর হবার পর বেশ খানিকটা বেড়ে গেছে দুই কোম্পানির শেয়ারের দাম৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়