1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

‘গোস্ট গোল' কি তবে সত্যিই অবৈধ?

শুক্রবার বায়ার লেভারকুজেন ও হফেনহাইমের মধ্যে ম্যাচে একটি গোলকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে৷ রেফারির ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ম্যাচের ফলাফল বদলানো বা ‘রিপ্লে' সম্ভব কি না, ফিফাকে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷

হফেনহাইমের বিরুদ্ধে ম্যাচটি লেভারকুজেন ২-১ গোলে জিতে যায়৷ লেভারকুজেনের স্টেফান কিসলিং-এর মাথা ছুঁয়ে বলটি গোলপোস্টের বাঁ পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তারপর গোলপোস্টের নেটের একটি গর্ত দিয়ে সেটি ঢুকে যায়৷ ফিফা রেফারি ফেলিক্স ব্রিচ সেটিকে গোল বলেই মেনে নেন৷ অথচ টেলিভিশনের পর্দায় পরে আসল ঘটনা দেখা গেছে৷ সন্দেহ হলে রেফারি সহকারীদের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন অথবা ম্যাচ চালিয়ে যেতে পারতেন৷ কিন্তু তিনি সে সব কিছুই করেননি৷ ফলে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে মেনে নিতে হয়৷

হফেনহাইম অবশ্য এখনো হাল ছাড়ছে না৷ তারা ফিফা-র কাছে অভিযোগ করেছে৷ ক্লাবের আইনজীবী রেফারিকে উদ্ধৃত করে বলেছেন, তিনি যেহেতু পরে নিজেই স্বীকার করেছেন যে গোলটি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না, অতএব তিনি নিয়মভঙ্গ করেছেন৷

জার্মান ফুটবল ফেডারেশন – ডিএফবির ভাইস প্রেসিডেন্ট রাইনার কখ বলেছেন, নতুন করে ম্যাচ খেলানোর সম্ভাবনা খুবই কম৷ আরেক ক্রীড়া আইনজীবী বলেছেন, রেফারির মনে সন্দেহ থাকাটাকে ঠিক নিয়মভঙ্গ হিসেবে তুলে ধরা কঠিন৷

Fußball Bundesliga TSG 1899 Hoffenheim - Sport-Club Freiburg am 24.08.2013

বল প্রথমে গোলপোস্টের বাঁ পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেলেও পরে গোলপোস্টের নেটের একটি গর্ত দিয়ে সেটি ঢুকে যায়

আগামী সপ্তাহে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা করতে পারে৷ তবে ডিএফবিকে খুবই সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ ১৯৯৪ সালে বায়ার্ন মিউনিখ ও নুরেমবার্গের মধ্যে ম্যাচে একটি গোল নিয়ে বিবাদের জের ধরে ডিএফবি ম্যাচ রিপ্লের বিধান দিয়েছিল৷ সে সময়ে ফিফা জার্মান ফুটবল ফেডারেশনকে সাবধান করে দিয়েছিল৷ ভবিষ্যতে এমন নির্দেশ দিলে নিষেধাজ্ঞার হুমকিও দিয়েছিল ফিফা৷ এর মধ্যে ফিফার নিয়ম আরও কড়া হয়েছে৷ অর্থাৎ সব পক্ষকেই রেফারির সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত হিসেবে মেনে নিতে হবে৷

খেলোয়াড় হিসেবে স্টেফান কিসলিং কী বলছেন? বিষয়টির নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তাঁর কি কোনো দায়-দায়িত্ব রয়েছে বা থাকা উচিত? তিনি নিজে কি বুঝেছিলেন যে তাঁর গোলটি আদৌ গোল ছিল না? এ নিয়েও চলছে তর্ক-বিতর্ক৷ ফেসবুকে তাঁকে গালিগালাজ শুনতে হচ্ছে৷ তবে তাঁর ‘স্বীকারোক্তি' সত্ত্বেও রেফারির সিদ্ধান্ত বদলাতো কি না, তা স্পষ্ট নয়৷

জার্মানির ফুটবল বিষয়ক পত্রিকা ‘কিকার' নতুন করে ম্যাচের বিরোধিতা করে লিখেছে, একটি অন্যায়ের প্রতিকার করতে আরেকটি অন্যায় করার অর্থ হয় না৷ বরং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে জার্মানিতে অবিলম্বে গোললাইন প্রযুক্তি চালু করা উচিত৷ আপাতত কনফেডারেশনস কাপ ও আগামী বছরের বিশ্বকাপে এই প্রযুক্তি অনুমোদন পেলেও সব দেশের জাতীয় লিগে এর প্রয়োগ শুরু হয় নি৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন