1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গোটা লিবিয়াতে চরম বিশৃংখল পরিস্থিতি

সব মিলিয়ে চরম বিশৃংখলা এখন গোটা লিবিয়াতে৷ দেশের প্রায় সব এলাকার ওপর নিয়ন্ত্রণ হারালেও এখনও ত্রিপোলিতে গদি আঁকড়ে ধরে পড়ে আছেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি৷ এদিকে একের এক দেশে গাদ্দাফি পরিবারের সম্পত্তির অঢেল পাহাড় আবিষ্কৃত হচ্ছে৷

default

লিবিয়া থেকে পর্তুগালে ফিরে এভাবে স্বজনকে জড়িয়ে ধরেন এক ব্যক্তি

মোটের ওপর লিবিয়ার পরিস্থিতি যে কোন দিকে যাচ্ছে সেটা কেউই ঠিকভাবে বলতে পারছে না৷ একদিকে গাদ্দাফির বিরুদ্ধে মানুষ বিক্ষোভ করতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ দিচ্ছে, অন্যদিকে হাজার হাজার মানুষ লিবিয়া ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় সীমান্ত এলাকাগুলোতে শোচনীয় পরিস্থিতিরি সৃষ্টি হচ্ছে৷ আবার লিবিয়ার আশেপাশের এলাকাতে গাদ্দাফি সমর্থক সেনাদের সঙ্গে গাদ্দাফি বিরোধী বাহিনীর সশস্ত্র সংঘর্ষ চলারও খবর পাওয়া গেছে৷ কিন্তু গাদ্দাফি বিদেশের টেলিভিশনে হাসিমুখেই সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন এবং দাবি করছেন যে তার দেশের জনগণ এখনও নাকি তাকে ভালোবাসে৷

Unruhen in Tunesien Flash-Galerie

ত্রিপোলির বাইরে বেশিরভাগ গাদ্দাফি বিরোধীদের দখলে

তবে লিবিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, আন্তর্জাতিক মহলের বিন্দুমাত্র সমর্থন এখন আর নেই দীর্ঘ ৪২ বছরের এই শাসকের প্রতি৷ যুক্তরাষ্ট্রের পর জাতিসংঘ এবং সর্বশেষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কঠোর নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে দেশটি৷ একেক দেশের ব্যাংক একাউন্টে এখন গাদ্দাফি পরিবারের অঢেল সম্পদের কথা জানা যাচ্ছে৷ জার্মানি মঙ্গলবার গাদ্দাফির এক ছেলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার কথা জানিয়েছে৷ জার্মান অর্থমন্ত্রী রাইনার ব্রুডেরলে জানিয়েছেন, জার্মানি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিদ্ধান্তমতেই কাজ করছে৷ জানা গেছে জব্দ হওয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রয়েছে প্রায় দুই মিলিয়ন ইউরো৷ একইদিন অস্ট্রিয়াও তাদের দেশে থাকা গাদ্দাফি পরিবারের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার কথা জানিয়েছে এবং সেই সম্পদের পরিমাণ ১.২ বিলিয়ন ইউরোর বেশি৷ জানা গেছে, লিবিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধু রাষ্ট্র ইটালিও একই রাস্তায় হাঁটার কথা ভাবছে৷ দেশে এবং বিদেশে বন্ধু হারিয়ে গাদ্দাফি এখন তার নিজের বিশ্বস্ত নিরাপত্তা বাহিনীর ওপরই নির্ভর করছেন, সেটা বলা যায়৷

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা গাদ্দাফির পতন না হওয়া পর্যন্ত তার বিরোধীদের প্রতি সমর্থন যুগিয়ে যাবে৷ মঙ্গলবার এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে যে গাদ্দাফিকে তারা আর নেতৃত্বদানের যোগ্য বলে মনে করে না৷ তবে লিবিয়ার বিদ্রোহীদের কোন ধরণের সামরিক সমর্থন দেওয়া হবে কিনা সেটি এখনও মার্কিন সরকার খোলাসা করেনি৷

এদিকে হাজার হাজার মানুষ লিবিয়া ছেড়ে যাওয়ায় সীমান্ত এলাকাতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে৷ ইতিমধ্যে লিবিয়ার পশ্চিম সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন