1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সাইবার নিরাপত্তা

গেম অফ থর্নসের স্ক্রিপ্ট চুরি, বিপুল অর্থ দাবি!

গেল সোমবার হ্যাকারদের একটি গ্রুপ অনলাইনে দাবি করেছে যে, তারা নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক জনপ্রিয় মুভি চ্যানেল হোম বক্স অফিস বা এইচবিও-এর বেশ কিছু ফাইল চুরি করেছে৷ এগুলো ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য কয়েক মিলিয়ন ডলার দাবি করেছে তারা৷

অর্থ না দেয়া হলে একটি টেলিভিশন সিরিজের পুরোটাই ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবার হুমকি দেয়া হয়েছে৷ একইসঙ্গে এগুলোর সত্ত্ব সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু নথিও ফাঁস করে দেবার হুমকি দেয়া হয়েছে৷

ধারণা করা হচ্ছে, হ্যাকার দলটি ব্যাপক জনপ্রিয় সিরিজ ‘গেম অফ থর্নস’-এর পাঁচটি এপিসোডের ড্রাফট স্ক্রিপ্ট চুরি করেছে৷ এর মধ্যে সামনেই আসছে এমন একটি পর্বও আছে৷

এছাড়া এইচবিও-র ফিল্ম প্রোগ্রামিং ডিপার্টমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট লেসলি কোহেনের ই-মেল অ্যাকাউন্ট থেকে এক মাসের ই-মেল চুরি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে৷

সত্ত্ব সংশ্লিষ্ট তথ্য চুরির বিষয়টি আগেই প্রকাশ করেছিল এইচবিও কর্তৃপক্ষ৷ চোরদের ধরতে এখন পুলিশ ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছে নেটওয়ার্কটি৷

হ্যাকাররা ‘মি. স্মিথ’ নামে অনলাইনে এইচবিও সিইও রিচার্ড প্লেপলারের কাছে একটি বার্তা পাঠায়৷ কালো ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর সাদা অক্ষরে তারা একটি আল্টিমেটাম দেয় সেই ভিডিওতে৷

সংক্ষেপে যা ছিল সেই বার্তায় তা হল, তিন দিনের মধ্যে তাদের ছয় মাসের ‘বেতন’ পরিশোধ করতে হবে৷ তাদের দাবি, বিভিন্ন কোম্পানিকে ব্ল্যাকমেল করে গ্রুপটি বছরে ১ কোটি ২০ লাখ থেকে প্রায় দেড় কোটি ডলার আয় করে৷

সে হিসেবে ছ'মাসের জন্য অন্তত ৬০ লাখ ডলার বা ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা দিতে হবে এইচবিওকে৷ তবে এই অর্থ দিতে হবে বিটকয়েনে৷

অর্থ না দিলে যে এইচবিও শো ও অন্যান্য নথি সম্বলিত যে দেড় টেরাবাইট তথ্য তারা চুরি করেছে বলে দাবি করেছে, তা প্রকাশ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে৷ তারা সরাসরি কোম্পানিটির সিইও রিচার্ডের সঙ্গেই যোগাযোগ চালাবে বলে জানিয়েছে৷

ছ'মাসের চেষ্টায় এইচবিও নেটওয়ার্কের এই তথ্য চুরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছে হ্যাকাররা৷

এর আগেও একবার জ্যাপানিজ নেটওয়ার্ক সোনি-র তথ্য চুরি হয়েছিল ২০১৪ সালে৷ ধারণা করা হয়, উত্তর কোরিয়ার একটি গ্রুপ হ্যাকিংয়ে জড়িত ছিল

সে সময় সোনি-র ৫০ হাজার বর্তমান ও সাবেক কর্মচারী ও কলাকুশলীর বেতন, সোশ্যাল সিকিউরিটি নাম্বার, ই-মেল ও আরো অনেক সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস করা হয়েছিল৷

হ্যাকার গ্রুপটি এইচবিও-কে তাদের ১৭তম টার্গেট হিসেবে দাবি করেছে এবং বলেছে, আগের ১৬টির মধ্যে তিনটি কোম্পানি অর্থ পরিশোধে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল৷

জেডএ/ডিজি (এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন