1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গুয়ান্তানামো বে’র দুই বন্দি ঠাঁই পাচ্ছে জার্মানিতে

গুয়ান্তানামো বে বন্দি শিবিরের দুই বন্দিকে আশ্রয় দেবে জার্মানি৷ এদের একজন ফিলিস্তিনি এবং অন্যজন সিরীয় নাগরিক৷ কুখ্যাত ঐ বন্দিশালাটি বন্ধে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করতেই জার্মানির এই সিদ্ধান্ত৷

Guantanamo, Prisoner, Germany, USA, Palestinian, Syria, গুয়ান্তানামো, জার্মানি

কুখ্যাত গুয়ান্তানামো বে’র বন্দিশালা

কোন অভিযোগ ছাড়াই প্রায় নয় বছর বন্দিত্ব কাটানোর পর তারা এবার মুক্তি পেল৷ জার্মানি বলছে, এই দুই বন্দিকে আশ্রয় দেওয়ার মধ্যে ঝুঁকির কিছু নেই৷ এর আগে ২০০৬ সালে জার্মানি আরেক বন্দিকে আশ্রয় দিয়েছিল৷ গুয়ান্তানামো বে বন্দি শিবির থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ঐ বন্দি ছিল তুর্কি নাগরিক৷ তবে বড় হয়েছিল জার্মানিতেই৷

এরপর গত বছর আরো দুই বন্দি গ্রহণে মার্কিন অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বার্লিন৷ কারণ ছিল, অ্যামেরিকা তাদের সর্ম্পকে যথেষ্ট তথ্য দিতে না পারা৷ এছাড়া চীনা উইঘুর বংশোদ্ভূত কিছু বন্দিকে গ্রহণ করতেও রাজি হয়নি জার্মানি৷ তবে এবার শেষ পর্যন্ত ইতিবাচক মত পাওয়া গেল জার্মান সরকারের৷ জার্মানির হামবুর্গ এবং রাইনল্যান্ড পালাটিনাটে রাজ্যে রাখা হবে এই দুই বন্দিকে৷ জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থমাস ডে মাইসিয়েরে বলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জার্মানিতে এসে পৌঁছবে ঐ দুই বন্দি৷ তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, গুয়ান্তানামো বে’র ঐ শিবিরের বন্দি গ্রহণে নতুন কোন অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করবে জার্মানি৷

Guantanamo, Prisoner, Germany, USA, Palestinian, Syria, গুয়ান্তানামো, জার্মানি

গুয়ান্তানামো বে’র সেই বন্দিশালার ভেতরের খণ্ডচিত্র (ফাইল ছবি)

দুই বন্দি গ্রহণে জার্মান সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মার্ক টোনার বলেন, দুই বন্দিকে আশ্রয় দিতে জার্মানির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই আমরা৷ গুয়ান্তানামো বে বন্দিশালা বন্ধে মার্কিন পদক্ষেপকে এগিয়ে নিতে জার্মানির প্রতিশ্রুতির একটি ইঙ্গিত তাদের এই মানবিক পদক্ষেপ৷ এছাড়া ঐ বন্দিশালা বন্ধে অন্যান্য দেশের সহায়তারও প্রশংসা করেন টোনার৷ তিনি জানান, এসব বন্দির জন্য আশ্রয়দাতা দেশের সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে৷

এদিকে, গুয়ান্তানামো বে থেকে মুক্ত এসব বন্দি গ্রহণে জার্মানির সম্মতিকে স্বাগত জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো৷ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দপ্তর ‘মানবাধিকারের জন্য কলঙ্ক ঘুঁচাতে ঐ বন্দি শিবির বন্ধে' মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিদের সমাজে একীভূত করে নেওয়ার আহ্বান জানায়৷ এছাড়া হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জার্মানির সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ