1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গুচ্ছ বোমার ব্যবহার নিষিদ্ধ হলো

বর্তমান বিশ্বে যে কয়টি ভয়াবহ মারণাস্ত্র রয়েছে ক্লাস্টার বম্ব বা গুচ্ছ বোমা তার মধ্যে অন্যতম৷ তবে রোববার থেকে এই বোমার ওপর নিষেধাজ্ঞা চালু হল, দুই বছর আগের ক্লাস্টার বোমা নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে৷

default

গুচ্ছ বোমার আঘাতে আহতরা এই বোমার ব্যবহার নিষিদ্ধের জন্য চেষ্টা চালিয়েছে

গুচ্ছ বোমা নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল ১০৭ টি দেশ৷ এখন পর্যন্ত সেটা অনুমোদন করেছে ৩৭টি দেশ৷ ৩০ টি দেশের বেশি দেশ অনুমোদন করার ছয় মাসের মধ্যেই এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা৷ সেই অনুযায়ী রোববার থেকে এই চুক্তি কার্যকর হল৷ চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর অন্যতম হল জার্মানি, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স৷ জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রী গিডো ভেস্টারভেলে রোববার এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘‘আমরা সন্তুষ্ট যে শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি আজ থেকে কার্যকর হতে চলেছে৷ তবে এটা হচ্ছে কেবল প্রথম পদক্ষেপ, সব সমস্যার সমাধান নয়৷ তবে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সঠিক পদক্ষেপ৷''

এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন এক বার্তায় গুচ্ছ বোমা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কার্যকর হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন৷ তিনি বলেছেন, এটি নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ৷

তবে এখন পর্যন্ত এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি বেশ কিছু দেশ৷ তার মধ্যে অন্যতম হল যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ইসরায়েল, ভারত, পাকিস্তান এবং ব্রাজিল৷ মূলত এসব দেশের হাতেই বেশিরভাগ গুচ্ছ বোমা রয়েছে৷ তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করছে, নতুন চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর এসব দেশগুলোর ওপর একটি নতুন চাপ তৈরি হবে৷ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এর কর্মকর্তা বোনি ডোচারটি বলেন, ‘‘যারা এই চুক্তি থেকে দূরে রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, চীন এবং রাশিয়া৷ যাই হোক এই নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কার্যকর হওয়ার পেছনে অনেক দেশের সমর্থন থাকায় এসব দেশের জন্য এখন এই মারণাস্ত্র ব্যবহার কঠিন হয়ে উঠবে৷''

উল্লেখ্য, যুদ্ধ চলাকালে বিমান থেকে এই গুচ্ছ বোমা ফেলা হয়৷ একটি বোমার ভেতর লুকিয়ে থাকে কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার বোমা, যা ঝাঁকে ঝাঁকে ভূমিতে আঘাত হানে৷ এসব বোমার আকার একটি রকেট শেল থেকে শুরু করে টেনিস বলের সমান পর্যন্ত হয়ে থাকে৷ ভূমিতে আঘাত হানার পর অনেক বোমাই বিস্ফোরিত হয় না৷ ফলে এগুলো স্থল মাইনের চেয়ে কোন অংশেই কম বিপজ্জনক নয়৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

সংশ্লিষ্ট বিষয়