1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গুগলের ক্ষমতা কমানোর ভোট

ইউরোপে সার্চ ইঞ্জিনের একচ্ছত্র আধিপত্য কমাতে ভোট দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইন প্রণেতারা৷ বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টের সদস্যরা এ সংক্রান্ত একটি খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট দেন৷ ইউরোপে গুগলের আধিপত্যই বেশি৷

খসড়ায় গুগলের উল্লেখ নেই

খসড়ার পক্ষে ভোট পড়েছে ৩৮৪টি এবং বিপক্ষে ১৭৪টি৷ তবে খসড়ায় গুগলের কথা উল্লেখ করা হয়নি৷ কিন্তু ইউরোপের দেশগুলোতে যেহেতু ৯০ ভাগ বাজার গুগল দখল করে রেখেছে, তাই গুগলকে লক্ষ্য করেই ঐ খসড়া করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

খসড়া ভোট

অবশ্য ভোট পাস হয়ে গেলেও এই খসড়া প্রস্তাবটি শুধু সুপারিশ হিসেবে গৃহীত হবে৷ ইউরোপীয় কমিশন যদি এই সুপারিশ মেনে নেয়, তবেই গুগলকে ইউরোপে তাদের নীতি বদলাতে বাধ্য করা যাবে৷ জার্মান কনজারভেটিভ দলের পার্লামেন্ট সদস্য এবং এই বিলের কো-স্পন্সর আন্দ্রেয়াস সোয়াব বলেছেন, ‘‘কোনো কিছুরই একাধিপত্য ভালো নয়, না কোম্পানিগুলোর জন্য না গ্রাহক, অর্থাৎ কাস্টমারদের জন্য৷'' বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সার্চ ইঞ্জিন গুগলের কথা জিজ্ঞেস করা হলে সোয়াব বলেন, তিনি গুগলের বিরুদ্ধে নন৷ কেননা প্রতিদিনই এটি ব্যবহার করতে হয় তাঁকে৷ ইউরোপিয়ান কমপিটিশান কমিশনার মার্গারেটে ফেসটাগার বলেছেন, তিনি বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাবেন৷

কেন এই ভোট

ভোটাভুটির পর এখন পর্যন্ত গুগল এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি৷ ২০১০ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গুগলের উপর নানাভাবে নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করছে৷ এগুলোর মধ্যে আছে তথ্য নিরাপত্তা, কপিরাইট এবং ট্রাস্ট ইস্যু যা আইন করে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷

ওই খসড়ায় ইউরোপে গুগলকে ভেঙে দেওয়ার ও গুগলের বাকি ব্যবসা থেকে সংস্থাটির সার্চ ইঞ্জিন আলাদা করার প্রস্তাবও রয়েছে৷ ইউরোপ থেকে ওয়েবে যত অনুসন্ধান করা হয়, এর ৯০ শতাংশই গুগল ব্যবহার করে৷

খসড়া প্রস্তাবে ‘গুগলের অবৈধ ও পক্ষপাতমূলক আচরণ' বন্ধ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে৷ অভিযোগ করা হয়েছে, গুগলের ব্যবসার জন্য যেটা সুবিধা হয়, সেভাবেই র‌্যাংকিং করা হয়৷ এতে ব্যবহারকারীর কথা ভাবা হয় না৷

ভোটের বিপক্ষে

তবে কয়েকজন রাজনীতিবিদ এই প্রস্তাবের বিপক্ষে মত দিয়েছেন৷ পার্লামেন্টের এএলডিই গ্রুপ সোফি ভেল্ড বলেছেন, ‘‘পার্লামেন্টের উচিত হয়নি গুগল বিরোধী খসড়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা৷ কারণ এই প্রতিযোগিতায় কীভাবে গুগলকে পেছনে ফেলা যায় সে চিন্তা করা উচিত এবং গ্রাহককের কথা মাথায় রেখে কাজ করা উচিত৷''

গুগল কর্তৃপক্ষ এমনিতেই ইউরোপের বাজারে স্বস্তিতে নেই৷ এর আগে কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে আবার কখনো অভিযোগ উঠেছে প্রাইভেসি না মানার বিষয়টি নিয়েও৷ ফ্রান্স ও জার্মানি গুগলের কর ফাঁকির বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়