গাদ্দাফি বিতাড়ন পরিকল্পনা বাস্তব রূপ নিচ্ছে | বিশ্ব | DW | 30.03.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গাদ্দাফি বিতাড়ন পরিকল্পনা বাস্তব রূপ নিচ্ছে

লন্ডনে লিবিয়া সম্মেলন যেন তাই প্রমাণ করল৷ তবে মূল প্রশ্নটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে: বিদ্রোহীদের অস্ত্র সরবরাহ করা হবে কিনা৷ এক্ষেত্রে পশ্চিমা শক্তিদের অবস্থান এক নয়৷

default

বিরোধীদের অস্ত্রশস্ত্রও দিতে পারে আন্তর্জাতিক সমাজ

লিবিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের চূড়ান্ত লক্ষ্য যে কি, সে'বিষয়ে তো আর কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না৷

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মঙ্গলবার একাধিক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, লিবিয়ায় মিত্রজোটের সামরিক অভিযানের লক্ষ্য হল গাদ্দাফির উপর চাপ বাড়িয়ে চলা, যা'তে তিনি শেষমেষ ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন৷ লন্ডনের সম্মেলন থেকে ইটালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাঙ্কো ফ্রাত্তিনি'ও বলেছেন যে, গাদ্দাফিকে যে দেশ ছাড়তে হবে, সে বিষয়ে সকলেই একমত৷ কিন্তু গাদ্দাফি কোন দেশে যাবেন, সেটা এখনও অনিশ্চিত, কেননা কোন দেশই তাকে নেবার কথা এখনও কিছু বলেনি, এমনকি আফ্রিকার দেশগুলোও নয়৷

লন্ডনে পরে যে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোনো অন্ত ছিল না, তা' হল: পশ্চিমা শক্তিরা বিদ্রোহীদের অস্ত্র সরবরাহ করার কথা ভাবছে কি না৷

Libyen Krieg Gaddafi NATO Konferenz London Flash-Galerie

লন্ডনে লিবিয়া বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা

এখানে বাস্তব পরিস্থিতি যে কি, তা' বলা শক্ত৷ বিদ্রোহীদের মধ্যকালীন জাতীয় পরিষদের মুখপাত্র মুস্তাফা ঘুরিয়ানি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘‘আমরা যে অস্ত্রসংগ্রহ করছি না, এ'টা ভাবলে ভুল করা হবে৷'' তবে ফ্রান্স অথবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্রসরবরাহের কোনো প্রস্তাব দিয়েছে কিনা, সে'বিষয়ে তিনি কিছু বলতে অস্বীকার করেন৷ শুধুমাত্র বলেন যে, কিছু অনুল্লিখিত বন্ধুরাষ্ট্র বিদ্রোহীদের সমর্থন করছে৷

ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যালাঁ জুপে লন্ডনে বলেছেন, ফ্রান্স বিদ্রোহীদের অস্ত্র দেবার ব্যাপারে কথাবার্তা বলতে রাজি৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, তিনি বিদ্রোহীদের অস্ত্রপ্রদানের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করছেন না৷ ওদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন বলেছেন, মার্কিন দৃষ্টিকোণ থেকে, সংঘাতপীড়িত এলাকা হিসেবে লিবিয়ায় অস্ত্রসরবরাহের উপর জাতিসংঘের যে নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে - জাতিসংঘের ১৯৭৩ নম্বর প্রস্তাবে সে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে৷

অর্থাৎ বিদ্রোহীরা নো-ফ্লাই এবং গাদ্দাফি বাহিনীর উপর বিমান হানার পর এবার অস্ত্রশস্ত্রও আশা করতে পারে৷ বিশেষ করে সির্তে থেকে যখন তাদের কামানের গোলার মুখে পালিয়ে আসতে হয়েছে৷ গাদ্দাফির ট্যাংক গতকাল মিস্রাতা'তেও ঢুকেছে৷ কাজেই বিদ্রোহীদের এখন যা চাই, তা হল অস্ত্র৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়