গাদ্দাফির যাওয়ার সময় হয়েছে, বলল ওয়াশিংটন | বিশ্ব | DW | 27.02.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গাদ্দাফির যাওয়ার সময় হয়েছে, বলল ওয়াশিংটন

বাস্তবেই, যে লিবিয়া তথাকথিত বিপ্লবী নেতা মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফির হাতের মুঠোর মধ্যে ছিল গত চার দশক ধরে, এখন তার অধিকাংশই সেই মুঠো ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বসেছে৷

default

পূর্ব ত্রিপোলির তাজুরা এলাকায় বাসিন্দাদের সৃষ্ট পথ অবরোধ

পূবে বেনগাজি, টোব্রুক, কি পশ্চিমে মিস্রাতার কথা বাদ৷ রাজধানী ত্রিপোলিটা অন্তত ছিল গাদ্দাফি এবং তার সমর্থকদের দখলে৷ এখন তারও কিছু এলাকা থেকে পিছু হঠে যাচ্ছে গাদ্দাফির পুলিশ, এই হল শেষ খবর৷ ওদিকে গাদ্দাফির প্রাক্তন আইনমন্ত্রী মুস্তাফা মোহামেদ আবুদ আজলাইল আগেই বেনগাজিতে বিরোধীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন৷ এবার তিনি এক ‘অস্থায়ী সরকার' গঠনের কথাও বলেছেন৷

Unruhen in Libyen

ইব্রাহিম দাব্বাশি

জাতিসংঘে লিবিয়ার দ্বিতীয় অন্যতম কর্মকর্তা ইব্রাহিম দাব্বাশি, যিনি লিবীয় কূনীতিকদের মধ্যে প্রায় প্রথমেই গাদ্দাফির সংশ্রব ত্যাগ করেন, সেই দাব্বাশি নাকি বলেছেন যে, তিনি ও তাঁর দূতাবাসের সদস্যরা ‘‘নীতিগতভাবে'' আজলাইলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সমর্থন করেন৷ ওদিকে আজলাইল দেশকে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ করার কথাও বলেছেন৷ যেমন গাদ্দাফির অপরাধ যাই হোক না কেন, সেজন্য তাঁর গাদ্দাফা উপজাতিকে দায়ী করা হবে না৷

সত্যি বলতে কি, এই অস্থায়ী সরকারের কতোটা জনসমর্থন থাকবে, তা কেউ জানে না৷ তবে গাদ্দাফির ব্যাপারটা স্পষ্ট৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে টেলিফোনালাপেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, গাদ্দাফি তাঁর বৈধতা হারিয়েছেন, এবং এখন তাঁর বিদায় নেওয়া উচিৎ৷ রক্তপাত ও সহিংসতার আর প্রয়োজন নেই, বলেছেন ওবামা এবং তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন, দু'জনেই৷ দশ দিনের এই অভ্যুত্থানে এযাবৎ প্রাণ হারিয়েছেন নাকি ২,০০০ মানুষ৷ কিন্তু গাদ্দাফি অথবা তাঁর পুত্রদের জন্য সেটা কোনো বিবেচ্যই নয়৷ এবং গাদ্দাফি মরণকামড় দেবেন, না তার আগেই রণে ভঙ্গ দেবেন, সেটাও অজানা৷

পরের চাপ আসছে বিশ্ব নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব থেকে৷ গাদ্দাফি এখন যেটা করছেন, সেটা নাটক, এক হিসেবে পালানোর প্রস্তুতি৷ কেননা পালানোর পথগুলো সব বন্ধ হয়ে যাওয়া অবধি অপেক্ষা করার মতো গোঁয়ার কিংবা নির্বোধ তিনি নন৷ এই হল কিছু পর্যবেক্ষকের ধারণা৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

নির্বাচিত প্রতিবেদন