1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গাজায় যুদ্ধবিরতি, কায়রোয় মধ্যস্থতার উদ্যোগ

গাজায় দু’দিন ধরে যুদ্ধবিরতি চলছে৷ ইসরায়েলি পদাতিক বাহিনী নিজেদের সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে৷ ইসরায়েলের দিকে রকেট ছোড়া বন্ধ রেখেছে হামাস৷ ধ্বংসস্তূপের ওপরই স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে গাজাবাসী৷ মিশরে চলছে মধ্যস্থতার উদ্যোগ৷

গাজায় দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতি শুরু হয় মঙ্গলবার৷ স্থানীয় সময় সকাল আটটা থেকে শুরু হওয়া ৭২ ঘণ্টার এ যু্দ্ধবিরতি ইসরায়েল ও হামাস দু'পক্ষই মেনে চলেছে৷ এক সপ্তাহ আগের মতো হামলা বন্ধের অঙ্গীকার করেও ইসরায়েল এবার নতুন করে হামলা শুরু না করায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে গাজায়৷ বার্তা সংস্থাগুলির খবর অনুযায়ী, ধ্বংস হয়ে যাওয়া এক হাজারের মতো ঘরের অনেক বাসিন্দা নিজেদের আবাসে ফিরেছেন৷ ধ্বংসস্তূপ থেকেই শেষ সম্বল কুড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা৷ রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়েছে৷ কিছু দোকানপাটও খুলেছে৷

আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে এ আশঙ্কায় অনেকে বাইরে আসতে ভয় পাচ্ছেন বলেও জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি৷ তবে ইসরায়েল এবং হামাস গত চার সপ্তাহে এই প্রথমবারের মতো যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ রেখেছে৷ গাজা থেকে পদাতিক বাহিনী ফিরিয়ে নিজেদের সীমান্তে সতর্কাবস্থায় রেখেছে ইসরায়েল৷ ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামাস রকেট ছুড়লেই আবার গাজায় অভিযান শুরু করা হবে৷

এদিকে হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যে মধ্যস্থতা করে যুদ্ধবিরতিকে দীর্ঘায়িত করার উদ্যোগও শুরু হয়েছে৷ মিশর সরকারের মধ্যস্থতায় পরিকল্পিত এ উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রও অংশ নিচ্ছে৷ তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, হামাস এবং ইসরায়েল মূল দাবিগুলোতে অনড় থাকলে মধ্যস্থতার উদ্যোগ ফলপ্রসূ না-ও হতে পারে৷ গাজার ওপর থেকে ইসরায়েল অবরোধ তুলে নিলে এবং সীমান্ত খুলে দিলেই কেবল দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতিতে রাজি বলে জানিয়েছে হামাস৷ ২০০৭ সাল থেকে গাজা অবরোধ করে রেখেছে ইসরায়েল৷ অন্যদিকে ইসরায়েলের দাবি, গাজার পূর্ণ বেসামরিকীকরণ, অর্থাৎ, গাজা থেকে হামাসের পুনরায় হামলার সামান্যতম আশঙ্কাও মানতে রাজী নয় তারা৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন