1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

গন্ডার বাঁচাতে সীমান্তে বেড়া!

একসময় দু’দেশের সীমান্তে প্রাণী সংরক্ষণ পার্ক করতে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল বেষ্টনী৷ মোজাম্বিকের শিকারিদের উৎপাত এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া দেয়ার কথা ভাবছে দক্ষিণ আফ্রিকা৷ নইলে গন্ডার আর থাকবেনা!

BWA, 2001: Wegen seines Horns getoetes Breitmaulnashorn (Ceratotherium simum). [en] Square -lipped rhinoceros or White Rhino (Ceratotherium simum)killed by poachers for its horn. | BWA, 2001: Square -lipped rhinoceros or White Rhino (Ceratotherium simum)killed by poachers for its horn.

Nashörner Wilderei Afrika.

এ বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই দক্ষিণ আফ্রিকা-মোজাম্বিক সীমান্তের ক্রুগার ন্যাশনাল পার্কের ২৪০টি গন্ডার মেরে ফেলেছে শিকারিরা৷ ধারণা করা হয় শিকারিদের প্রায় সবাইই মোজাম্বিকের৷ এই পাঁচ মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার মোট কমপক্ষে ৩৫০টি গন্ডারের প্রাণ গিয়েছে অর্থলোভী কিছু মানুষের হাতে৷

(ACHTUNG Sperrfrist 23. Juli 0201) ARCHIV - Kenianische Ranger bereiten die Verbrennung von 4,6 Tonnen Elfenbein im Tsavo West National Park vor (Archivfoto vom 20.07.2011). Beim Schutz von Elefanten, Tigern und Nashörnern versagen entscheidende Länder einem neuen Report des WWF zufolge. Der WWF hatte für den Report «Wildlife Crime Scorecard» die Situation in 23 afrikanischen und asiatischen Ländern erfasst, in denen Wilderei oder illegaler Handel mit Elfenbein, Rhino-Hörnern und Tigerteilen eine große Rolle spielen. Bewertet wurde, in welchem Umfang in jüngerer Zeit Fortschritte beim Schutz von Elefanten, Tigern und Nashörnern gemacht wurden. Foto: Dai Kurokawa (ACHTUNG Sperrfrist 23. Juli 0201) +++(c) dpa - Bildfunk+++

গন্ডারের শিং খুব দামি

গন্ডারের শিং খুব দামি৷ তাই শিকারিরা তৃণভোজী এ প্রাণীদের মেরে মাথা থেকে শিং আলাদা করে বিক্রি করে দেয় এশিয়ায়৷ কালোবাজারে বিক্রি করে তারা মোটা অঙ্কের টাকা পায়, পেয়ে আবার মেতে ওঠে প্রাণী হত্যার নেশায়৷ এ অবস্থায় সীমান্তে বেষ্টনী বা বেড়া না দিয়ে গন্ডারদের রক্ষা করার আর উপায় দেখছে না দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার৷ সে দেশের পরিবেশমন্ত্রী এডনা মোলেওয়া তাই জানিয়ে দিয়েছেন, মোজাম্বিক-দক্ষিণ আফ্রিকা সীমান্তে বিদ্যুতায়িত বেড়া দেয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা প্রায় নিশ্চিত৷

দু'দেশের সীমান্তে বেষ্টনী যে এখনও নেই তা নয়৷ দু'দেশের মাঝে বন্য প্রাণীদের অভয়ারণ্য গড়তে সীমান্তের ৪০ কিলোমিটার এলাকার বেষ্টনী একেবারে তুলেই ফেলা হয়েছিল৷ বাকি প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার এলাকার বেষ্টনী খুব তাড়াতাড়ি মেরামত না করলে হয়তো ভেঙেই পড়বে৷ কিছু এলাকায় বেষ্টনী নীচু করে দেয়া হয়েছিল বন্য প্রাণীদের যাতায়াতের সুবিধার কথা ভেবে৷ এখন পুরো সীমান্ত এলাকাতেই উঁচু বেষ্টনীর কথা ভাবা হচ্ছে৷ তারের সেই বেষ্টনীতে কেউ স্পর্শ করলেই বিদ্যুতায়িত হবে তাঁর শরীর৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন