1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গণবিস্ফোরণের অপেক্ষায় বিএনপি

এখন পর্যন্ত সরকারবিরোধী কঠোর কোনো আন্দোলন কর্মসূচির পরিকল্পনা নেই বিএনপির৷ তারা স্বাভাবিক সভা, সমাবেশ, অনশন চালিয়ে যাবে৷ তবে নেতারা মনে করছেন, দেশের যা পরিস্থিতি তাতে ‘গণবিস্ফোরণ’ ঘটবে৷ তাতেই সরকার পতন হবে৷

Bangladesch Khaleda Zia vor den Wahlen

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বিএনপি ধারাবাহিক আন্দোলনেই আছে৷ চূড়ান্ত আন্দোলন দিনক্ষণ ঠিক করে হয় না৷'' আর বিএনপি নেতা আহমেদ আজম খান বলেছেন, ‘‘ভবিষ্যত আন্দোলনের রূপরেখা এখনো ঠিক হয়নি৷''

৫ জানুয়ারির একপাক্ষিক নির্বাচন বর্জনের পর বিএনপি সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করার কথা বলছে বার বার৷ সবশেষ তারা বলেছিল উপজেলা নির্বাচনের পর চূড়ান্ত আন্দোলনে যাবে৷ নির্বাচনে অংশ নিয়ে একারণেই তারা নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করছেন৷

সোমবার ৬ষ্ঠ ধাপের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সব উপজেলা পরিষদের নির্বাচন শেষ হয়েছে৷ কিন্তু চূড়ান্ত আন্দোলনের কোনো প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে না বিএনপিতে৷

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু ডয়চে ভেলেকে বলে, ‘‘বিএনপি আন্দোলনের মধ্যেই আছে৷ ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশ, অনশন এবং তিস্তার পানির দাবিতে লংমার্চ করেছে৷ সামনে শ্রমিক মহাসমাবেশ হবে৷ আর শনিবার আইনজীবীদের মহাসমাবেশ ডাকা হয়েছে খুন, গুম, অপহরণের প্রতিবাদে৷ তবে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে সরকার পতনের আন্দোলনে আরো সময় লাগবে৷''

তিনি বলেন, ‘‘তাদের ৬০০ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, ৩১০ জন নেতা-কর্মী নিখোঁজ৷ সরকার বিএনপির সাংগঠনিক শক্তিকে নানাভাবে দুর্বল করতে চাইছে৷ এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠে সংগঠনকে চূড়ান্ত আন্দোলনমুখী করতে সময় লাগছে৷''

তবে দুদু মনে করেন, ‘‘দেশের মানুস ফুঁসে উঠছে৷ খুন, গুম, অপহরণে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ৷ এই সরকারকে তারা আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না৷ মানুষের এই ক্ষোভই একসময় বিক্ষোভে পরিণত হবে, দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটবে৷ তখনই সরকারের পতন হবে৷ দিনক্ষণ দিয়ে সরকার পতনের আন্দোলন হয় না৷''

এদিকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের আরেক উপদেষ্টা আহমেদ আজম খান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘পরবর্তী আন্দোলন কেমন হবে তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি৷ তবে বিএনপির নীতি নির্ধারক স্থায়ী কমিটির সদস্যরা সহসাই বৈঠকে বসবেন৷ তাঁরাই ঠিক করবেন পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা৷ বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা গত কয়েক মাস উপজেলা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন৷ তাই সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করা যায়নি৷'' তিনি বলেন, ‘‘তবে দেশে যে অসহনীয় অবস্থা বিরাজ করছে তাতে এই সরকারকে বিদায় না করা পর্যন্ত শান্তি আসবে না৷''

ঢাকায় শনিবারের আইনজীবী মহাসমাবেশে খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন৷ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম এই মহাসমাবেশ ডেকেছে৷ সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, সারাদেশে অপহরণ, হত্যা, বিচার বিভাগের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ এবং নারায়ণগঞ্জ বারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার হত্যার প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যালয় প্রাঙ্গনে শনিবার এ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়