1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গণতন্ত্রই নোবেল পুরস্কার পেলো

আরব বিশ্বে প্রকৃত গণতান্ত্রিক কাঠামো অত্যন্ত বিরল ঘটনা৷ অথচ নানা সমস্যা সত্ত্বেও টিউনিশিয়ায় সহিষ্ণুতার ভিত্তিতে গণতন্ত্রের বিকাশের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখা যাচ্ছে৷ তারই স্বীকৃতি এলো নোবেল শান্তি পুরস্কারের রূপে৷

সরকার নয়, সুশীল সমাজই এগিয়ে এসেছে ‘আরব বসন্ত'-কে জোরদার করতে৷ জাতীয় স্তরে সংলাপে উৎসাহ দিতে চারটি সংগঠন মিলে গড়ে তুলেছে এক কোয়ার্টেট বা জোট৷ তারা হলো শ্রমিক ইউনিয়ন, শিল্প ও বাণিজ্য কনফেডারেশন, মানবাধিকার লিগ ও আইনজীবীদের সংঘ৷ তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিলো নোবেল কমিটি৷

ভারতের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী এই খবর শুনে অভিনন্দন জানিয়েছেন৷

অভিনন্দন জানিয়েছে জাতিসংঘও৷

স্নোবার অ্যালেন আব্বাসি মনে করেন, নোবেল শান্তি পুরস্কারের আসল শক্তি অতীতকে সম্মান জানানো নয়, বরং ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করা৷

রান্ডা স্লিম লিখেছেন, সংলাপ, সুশীল সমাজ ও আরব অঞ্চল – এই তিনটি বিষয়ই গুরুত্ব পেয়েছে৷

প্রতিবারই নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার আগে তীব্র মাত্রায় জল্পনা-কল্পনা চলে৷ এবারে যেমন জার্মান চ্যান্সেলার আঙ্গেলা ম্যার্কেল ও পোপ ফ্রান্সিস-এর নাম শোনা যাচ্ছিল৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত হিসাব মেলে না৷ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর ইউরোপীয় মিডিয়া প্রধান অ্যান্ড্রু স্ট্র্যোলাইন এই বিষয়টি নিয়ে মশকরা করেছেন৷

নোবেল পুরস্কার কে পাবেন, তা নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া চলে অনেক মাস ধরে৷ একটি গ্রাফিকের মাধ্যমে তারই রূপরেখা তুলে ধরেছে নোবেল কমিটি৷

সংকলন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার কতটা যথাযথ? জানিয়ে দিন নীচের মন্তব্যের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়