1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

খোকা, সোহেলকে বাদ দিয়েই আব্বাসের বৈঠক

সরকার বিরোধী আন্দোলন চাঙ্গা করতে বিএনপির গঠিত নতুন ঢাকা মহানগর কমিটি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে৷ কমিটির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস তাঁকে না জানিয়ে হাবিব উন নবী খান সোহেলকে সদস্য সচিব করায় তা মানতে পারছেন না৷

এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদে সাদেক হোসেন খোকাকেও মেনে নিতে পারছেন না তিনি৷ মির্জা আব্বাস নতুন কমিটির সদস্য সচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলকে বাদ দিয়েই রবিবার নতুন কমিটির বৈঠক করেছেন৷ শুধু তাই নয়, ঐ বৈঠকে কমিটিতে যাঁরা তাঁর অনুগত, কেবল তাঁরাই উপস্থিত ছিলেন৷

Bangladesch Wahlen

তৃণমূলের ত্যাগী নেতারা পদ পেলে আন্দোলন চাঙ্গা হবে

আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসায় বৈঠক হয়৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টু, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও কমিটির সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু, সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ৷ তবে ছিলেন না উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাদেক হোসেন খোকা৷

বৈঠকে ঢাকা মহানগরের সকল ইউনিট কমিটির দ্বন্দ্ব নিরসন করে শক্তিশালী কমিটি গঠনের ব্যাপারে আলোচনা হয়৷ আহ্বায়ক কমিটির সকল সদস্যের সঙ্গে বসে আলোচনার ভিত্তিতে অল্প সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷

বৈঠকের বিষয় জানতে চাইলে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘‘কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক ছিল না৷ যে যার মতো করে দেখা করতে এসেছিলেন৷''শুক্রবার রাতে মির্জা আব্বাসকে আহ্বায়ক ও হাবিব উন নবী খান সোহেলকে সদস্য সচিব করে ৫২ সদস্যের ঢাকা মহানগর কমিটি ঘোষণা করে বিএনপি৷ এই ৫২ সদস্যের কমিটি ছাড়াও মহানগর তৃণমূলেও রয়েছে ব্যাপক দ্বন্দ্ব৷

ঢাকার এক তৃণমূল বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন বলেন, কার্যকর আন্দোলন গড়ে তুলতে হলে নগরের বিভিন্ন ইউনিটে যেসব কমিটি হবে সেখানে ত্যাগী নেতাদের স্থান দিতে হবে৷

তিনি বলেন, ‘‘এখন আমরা দেখব কারা পদ পায়৷ তৃণমূলের ত্যাগী নেতারা পদ পেলে আন্দোলন চাঙ্গা হবে৷ আত্মীয়-স্বজন হওয়া বা অন্য কোনো কারণে পদ পেলে কমিটি ভালো হবে না৷''

খিলগাঁও থানা বিএনপির এক নেতা শাহজাহান আলি বলেন, বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে না পারলে নতুন কমিটিও ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷

তিনি বলেন, ‘‘যদি সবাই ঐক্যবদ্ধ হয় এবং গ্রুপিং-লবিং না থাকে, তাহলে কমিটি কাজ করতে পারবে৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কমিটি যদি আব্বাসপন্থি আর খোকাপন্থি হয় তাহলে নিজেরাই কোন্দল করবে, কাজ হবে না৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন