1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘‘খেলার খবর খুব ভালো লাগে’’

‘‘ডিডাব্লিউ-র খেলাধুলা পাতাটি আমার খুব প্রিয়৷ ‘বিশ্বকাপজয়ী জার্মানি তালিকার শীর্ষে’ – এই শিরোনামে প্রতিবেদনটি পড়ে ভীষণ খুশি হলাম৷ জানলাম সম্প্রতি ফিফা ব়্যাংকিং-এ তালিকায় শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে জার্মানি৷’’

এভাবেই তাঁর ই-মেলটি শুরু করেছেন চুয়াডাঙ্গার পাঠক বন্ধু আশরাফুল ইসলাম৷ তিনি আরো লিখেছেন, ‘‘আমার ধারণা তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা আর্জেন্টিনা সহজে জার্মানিকে টপকিয়ে যেতে পারবে না৷ বহু বছর ধরে আমি জার্মান ফুটবল দলের সমর্থক, অবশ্যই সেটি ডয়চে ভেলের কারণে৷ তাই আমার প্রিয় দল এভাবেই তার সফল্য ধরে রাখুক, সেটাই আমার একান্ত প্রত্যাশা৷ ডয়চে ভেলের খেলাধুলা পাতায় ফুটবলের মতো ক্রিকেটকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশের অনুরোধ জানাচ্ছি৷ আশরাফুল ইসলাম, থানা পাড়া, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ৷''

পরের ই-মেলটির প্রেরক পাঠক সোহেল রানা৷ তাঁর বক্তব্য এরকম – ‘‘আফগানিস্তানে ফুটবল নিয়ে প্রতিবেদনটি দারুণ হয়েছে৷

আসলে ফুটবলই হচ্ছে আসল খেলা, যেখানে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের বিরাট সুযোগ থাকে৷ এই যেমন ক্রিকেটে-ব্যাট হাতে ব্যাটসম্যান প্রস্তুত, বলার বল করলেন...ছক্কা! পরের বল করলেন...আউট! এই খেলায় যদিও মজা আছে, কিন্তু নিজের যোগ্যতা পুরোটা প্রমাণের সুযোগ থাকে না৷ ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে দেশটি অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ এটা সত্য হতেও পারে৷ বাছাই পর্বে ভালো করলে অবশ্যই তারা সুযোগ পাবে আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু করতে পারবে বলে মনে হয়৷ আমরা আমাদের দেশের ফুটবল নিয়েও কিছুটা আশা করতে পারি৷ আফগানিস্তানের ফুটবল রেকর্ড ভালো৷ ৩০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের৷ আমাদের দেশও এগিয়ে যাচ্ছে, আমরা অপেক্ষায় আছি৷ হয়ত একদিন সেই সময় ঠিকই আসবে৷ হয়ত সেদিন আমি নাও থাকতে পারি৷ তারপরও বলি – জয় হোক সকল ভালো চাওয়ার৷ মো. সোহেল রানা হৃদয়, ঢাকা সেনানবিাস, ঢাকা, বাংলাদেশ৷''

হটুদেওয়ান, নাগেরপাড়া, বর্ধমান থেকে পুরনো বন্ধু তপতী সরকার লিখেছেন, ‘‘আপনাদের পাঠানো ‘টপ গেম কুইজ'-এর প্রাইজ হিসাবে আইপডটি সদ্য আমার হাতে পৌঁছেছে৷ অনেক শুভেচ্ছা ও নমষ্কার৷ তপতী সরকার, হটুদেওয়ান, নাগেরপাড়া, বর্ধমান, ভারত৷''

- ধন্যবাদ সবাইকে, এভাবেই সবসময় আমাদের সাথে থাকবেন বন্ধুরা, কেমন ?

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন