1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

খুনিদের পেতে জাতিসংঘে চিঠি পাঠাবে সরকার

বিশ্বের কয়েকটি দেশে অবস্থানরত বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার পলাতক ছয় আসামিকে ফিরিয়ে আনতে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সহায়তা চেয়েছেন সরকারের মন্ত্রীরা৷ এজন্য আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠানো হবে বলে তাঁরা জানিয়েছেন৷

যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্যানাডায় পালিয়ে থাকা আসামিদের ব্যাপারে দেশ দুটির ‘দ্বৈতনীতি'রও সমালোচনা করেন মন্ত্রীরা৷

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামির মধ্যে দুজন অবস্থান করছেন ক্যানাডা এবং অ্যামেরিকায়৷ লে. কর্নেল নূর চৌধুরী ক্যানাডায় আর লে. কর্নেল এম রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন – এবিষয়ে বাংলাদেশ সরকার নিশ্চিত৷

শুক্রবার জাতীয় শোক দিবসে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘‘অ্যামেরিকা ও ক্যানাডায় থাকা বঙ্গবন্ধুর দণ্ডপ্রাপ্ত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় ধীরগতির কারণে তা বিলম্বিত হচ্ছে৷'' তিনি বলেন, ‘‘ডিপ্লোম্যাসিতে অনেক কিছু ধীরগতিতে হয়৷ তবে আমরা সময়মতো তাদের হাতের নাগালে পাবো বলে আশা করি৷''

খুনিদের ফেরত পেতে অ্যামেরিকা ও ক্যানাডার ভূমিকার সমালোচনা করেন সৈয়দ আশরাফ৷ তিনি বলেন, ‘‘অ্যামেরিকা ও ক্যানাডা মানবতার দোহাই দিয়ে অনেক সময় অনেক কিছু বলে৷ আপনারা জানেন, অ্যামেরিকায় নিয়মিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হচ্ছে৷ আপনারা শুনেছেন, কয়দিন আগে আড়াই ঘণ্টা ধরে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে৷ কিন্তু আমাদের দেশের বেলায় মানবতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের কথা বলে তারা৷ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের তারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে৷''

একই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের সহায়তা চেয়েছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি৷

আর স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে জাতিসংঘের মহাসচিবের সহায়তা চেয়ে তাঁকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয়া হবে৷''

উল্লেখ্য লে. কর্নেল নূর চৌধুরী ও লে. কর্নেল এম রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে এই বিবেচনায় ক্যানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের ফেরত দিতে রাজি হচ্ছে না৷ তবে যুক্তরাষ্ট্রের ৩২টি রাজ্যে এখনো মৃত্যুদণ্ডের বিধান আছে৷ ১৮টি রাজ্যে মত্যুদণ্ডের বিধান রহিত করা হয়েছে৷ আর ১৯৭৬ সাল থেকে ক্যানাডায় মৃত্যুদণ্ড পুরোপুরি বিলোপ করা হয়৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন