1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত৷ শুনানিতে হাজির না হওয়ায় খালেদা জিয়াসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করা হয়৷ বিএনপি মনে করে, চলমান আন্দোলনকে ব্যর্থ করতেই এমনটা করা হয়েছে৷

জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট ও জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টে সোয়া পাঁচ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগের দুটি মামলায় বুধবার খালেদা জিয়া ও মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল এবং ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আদালত৷ বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এই পরোয়ানা জারি করেন৷

ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর কারণে গত ২৯ জানুয়ারি আদালতে না এসে আইনজীবীর মাধ্যমে শুনানির তারিখ পেছানোর আবেদন জানিয়েছিলেন খালেদা জিয়া৷ বিচারক আবেদন মঞ্জুর করে জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য শোনা হবে৷ কিন্তু ২৫ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ বুধবারও আদালতে হাজির না হওয়ায় খালেদা জিয়া ও অন্য তিন আসামির জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো৷

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারিও আদালতে উপস্তিত হননি খালেদা জিয়া৷ সেদিন বলা হয়েছিল, সরকার তাঁকে গুলশান কার্যালয়ে ‘অবরুদ্ধ' করে রেখেছে, তাই আদালতে যাওয়া সম্ভব নয়৷ বিচারক খালেদাকে সেদিনের হাজিরা থেকে রেহাই দিলেও বাড়তি সময়ের আবেদন নাকচ করে বাদীর সাক্ষ্য চালিয়ে যাওয়ায় আদেশ দেন৷ এ নিয়ে আদালতে সেদিন হৈ চৈ হয়েছে৷ খালেদার আইনজীবীরা বিচারকের প্রতি অনাস্থাও জানিয়েছিলেন সেদিন৷

বুধবার নিজের দল এবং জোটের ডাকা অবরোধর মধ্যেই আদালতে না গিয়ে আবার আইনজীবীদের মাধ্যমে সাক্ষ্য পেছানোর অনুরোধ জানান খালেদা জিয়া৷ কিন্তু আদালত সে আবেদন খারিজ করে টানা কয়েকটি ধার্য দিনে আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ায় জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন৷ খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা পরোয়ানা বাতিলের আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে দেয়৷

বিএনপির পক্ষ থেকে সায়রুল কবির খান বার্তা সংস্তা এএফপিকে বলেছেন, ‘‘চলমান আন্দোলনকে ব্যাহত করার জন্যই এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো৷ কিন্তু এ কৌশলে কাজ হবে না৷ বরং হিতে বিপরীত হবে৷ আমাদের প্রতি জনসমর্থন আরো বাড়বে৷''

২০০৮ সালের ৩ জুলাই জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন৷ তখন দেশে ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার৷ আর জিয়া দাতব্য ট্রাস্টে দুনীর্তির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে, ২০১১ সালে৷

গত ৩ জানুয়ারি থেকে খালেদা জিয়া গুলশানের কার্যালয়ে অবস্থান করছেন৷ সরকারের দাবি, পুলিশি ‘অবরোধ' তুলে নেয়া হয়েছে, সুতরাং খালেদা জিয়া এখন মুক্ত৷ অথচ সেখানে এখনো পুলিশ প্রহরা রয়েছে৷ দর্শনার্থীদের ভেতরে প্রবেশের ব্যাপারেও রয়েছে কড়াকড়ি৷ গত কয়েকদিনে সংগীত শিল্পী বেবী নাজনিনসহ বেশ কয়েকজনকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে না দেয়ায় সরকারের দাবির সত্যতা সম্পর্কে জনমনে সংশয় রয়েছে৷

এসিবি/ডিজি (এএফি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়