1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

খালেদা জিয়ার বাড়ি নিয়ে আপিল

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সোমবার৷ মঙ্গলবার সুপ্রিমকোর্টের চেম্বার জজ আদালতে শুনানি হবে৷

default

এখনো ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি নিয়ে হাল ছাড়তে প্রস্তুত নন খালেদা

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় খালেদা জিয়ার বাড়ি ছাড়তে সরকারের নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তাঁর রিট আবেদন হাইকোর্ট খারিজ করে দেন গত ১৩ই অক্টোবর৷ ওই আদেশে আদালত খালেদা জিয়াকে ১ মাস মানে ১২ই নভেম্বরের মধ্যে বাড়ি ছাড়ারও নির্দেশ দেন৷ তার ৪ দিন আগেই সোমবার খালেদা জিয়ার পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের চেম্বার জজ বিচারপতি বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেনের আদালতে লিভ টু আপীল করা হল৷

বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবি টি এইচ খান, মওদুদ আহমেদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, আমিনুল হক এবং মাহবুব উদ্দিন খোকন আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন করেন৷ তারা বলেন, বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই এর ওপর জরুরি ভিত্তিতে শুনানি প্রয়োজন৷ তারা হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতেরও আবেদন করেন৷ আদালতে সরকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম৷

লিভ টু অ্যাপিল আবেদনে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের রায়ে প্রচলিত আইন এবং সুপ্রিম কোর্টের নজির অনুসরণ করা হয়নি৷ ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আরো অনেক সাবেক সেনা কর্মকর্তা বাড়ি বানিয়ে বসবাস করছেন৷ বিরোধী বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বাড়ি ক্যান্টনমেন্টের যে এলাকায়, সে এলাকায় আইন অনুযায়ী জমি লীজ দেয়া যায় বলে আবেদনে জানান হয়েছে৷ খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক কারণে উচ্ছেদের অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে লিভ টু অ্যাপিলে বলা হয়৷ চেম্বার জজ আদালত মঙ্গলবার লিভ টু অ্যাপিলের ওপর শুনানির দিন ধার্য করেছেন বলে জানান খালেদার আইনজীবী ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন৷

ইজারা দলিলের মাধ্যমে ১৯৮১ সালের ১৩ই জুন খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের ১৬৫ কাঠা জমির ওপর বাড়িটি দেয়া হয়৷ ২০০৯ সালের ২০শে এপ্রিল খালেদা জিয়াকে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দেয় সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদফতর৷ পরে আরো দু'বার নোটিশ দেয়া হয়৷ খালেদা জিয়া ওই নোটিশকে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করলে আদালত তার আবেদন খারিজ করে নোটিশ বৈধ ঘোষণা করে৷ ক্যন্টনমেন্টের বাড়ি ছাড়ারও নির্দেশ দেয়া হয়৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়