খরচের কাছে হেরে গেল ‘ভূতুড়ে গোল’ | খেলাধুলা | DW | 26.03.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

খরচের কাছে হেরে গেল ‘ভূতুড়ে গোল’

গত অক্টোবরে জার্মানির বায়ার লেভারকুজেনের খেলোয়াড় স্টেফান কিসলিং-এর করা সেই ভূতুড়ে গোলের কথা মনে আছে? কিসলিংয়ের হেডটি সাইড বারের পাশ দিয়ে গিয়ে জালের ফুটো দিয়ে ভেতরে ঢুকে গিয়েছিল৷

default

এই সেই গোল৷ বলটি বাম পাশের সাইড বার দিয়ে ভেতরে ঢোকে

রেফারি সেটা দেখতে না পেয়ে গোলের বাঁশি বাজিয়ে দেন৷ এতে অবাক হয়েছিলেন স্বয়ং কিসলিংও৷ সে সময় গোলটিকে ‘ফ্যান্টম গোল' বা ভূতুড়ে গোল বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিল৷

ঐ ঘটনার পর বুন্ডেসলিগায় গোল-লাইন প্রযুক্তি চালুর জোর দাবি ওঠে৷ তবে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটির আয়োজন করা হলে সেটা পাস করানো যায়নি৷ ৩৬টি ক্লাবের মধ্যে মাত্র ১২টি ক্লাব এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পক্ষে মত দেয়৷ অথচ প্রস্তাবটি পাসের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ দলের সমর্থন প্রয়োজন ছিল৷ সংবাদ সম্মেলনে ভোটের ফল জানানোর সময় প্রস্তাবটি পাস না হওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে খরচের কথা বলা হয়৷

বুন্ডেসলিগার প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের ৩৬টি ক্লাব ভোটে অংশ নেয়৷ এর মধ্যে প্রথম বিভাগের প্রায় অর্ধেক ক্লাবই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও দ্বিতীয় বিভাগের মাত্র তিনটি দল প্রস্তাবের পক্ষে তাদের মত জানায়৷

প্রস্তাবটি পাস না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন শীর্ষ ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের চেয়ারম্যান কার্ল-হাইনৎস রুমেনিগে৷ তিনি বলেন, ‘‘গণতান্ত্রিকভাবে চিন্তা করলে আমরা এটা (সিদ্ধান্ত) মেনে নিতে হবে৷ কিন্তু আমরা (বায়ার্ন) এতে হতাশ৷'' রুমেনিগে বলেন, এর ফলে ভবিষ্যতেও আরও খারাপ সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হবে৷

হতাশা প্রকাশ করেছেন ডর্টমুন্ড আর মাইনৎসের কোচও৷ ডর্টমুন্ডের কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ বলেন, জার্মানির উচিত ছিল ইংল্যান্ডের পথ অনুসরণ করা৷ উল্লেখ্য, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চলতি মরসুমে এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়৷ আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবলেও গোল-লাইন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে৷

জার্মান ফুটবল ফেডারেশনের রেফারি কমিশনও গোল-লাইন প্রযুক্তি চালুর পক্ষে ছিলেন বলে জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান টোমাস টুখেল৷

জেডএইচ / এসবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন