1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

খনিতে আটকে পড়া শ্রমিকদের অবস্থা আগের থেকে ভালো

বুধবার প্রকাশিত ২৫ মিনিটের নতুন একটি ভিডিও’তে দেখা গেছে, চিলির খনিতে আটকে পড়া শ্রমিকদের অবস্থা তুলনামূলকভাবে ভালোর দিকে৷ এদিকে, গত ৫ আগস্ট স্বর্ণ ও তামা খনির ঐ ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন খনির মালিক৷

default

খনিতে আটকে পড়া শ্রমিক

সান্তিয়াগো থেকে আটশ' কিলোমিটার উত্তরে ঐ সান হোসে স্বর্ণ ও তামা খনি৷ গত ২৬ দিন ধরে এখানে আটকা পড়ে আছেন ৩৩ জন খনি শ্রমিক৷ একদিকে গরমে তাঁরা নিস্তেজ হয়ে পড়ছেন৷ শরীরে দেখা দিয়েছে ছত্রাকের সংক্রমণ৷ এছাড়া, বিষণ্ণতায়ও ভুগছেন তাঁরা৷ তারপরও, বুধবার প্রকাশিত নতুন একটি ভিডিও'তে তাঁদের অবস্থা অগের তুলনায় ভালো বলে মনে করা হচ্ছে৷ আগের ভিডিও'তে খালি গায়ে দেখা গেলেও, এখন তাঁদের গায়ে নতুন টি-শার্ট এবং শর্টস৷ এমনকি, একজন শ্রমিককে বিখ্যাত ডমিনিকান শিল্পী হুয়ান লুইস গুয়েরার একটি গান গাইতেও শোনা গেছে ঐ ভিডিও-চিত্রে৷

গত সোমবার থেকেই এই খনিকূপ খননের কাজ শুরু করেছে উদ্ধারকর্মীরা৷ অষ্ট্রেলিয়ার তৈরি বিশাল আকারের খনন যন্ত্র ‘এক্সক্যাভেটর' দিয়ে এই খনন কাজ শুরু হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে সরকারি একটি সূত্র৷ সেখানে বলা হয়েছে, খনন যন্ত্র দিয়ে প্রথমে ৩৩ সেন্টিমিটার প্রশস্ত গর্ত করা যাবে৷ এরপর এতে বিশেষ একটা যন্ত্র বসিয়ে ৬৬ সেন্টিমিটার প্রশস্ত গর্ত করা হবে, যাতে উদ্ধারকারী ক্যাপসুলটিকে নিচে পাঠানো যায়৷ এই ক্যাপসুল দিয়ে এক জনের পর একজন খনি শ্রমিক উপরে উঠে আসতে পারবেন৷ চিলি সরকার বলছে, উদ্ধারের এই প্রক্রিয়াটি বেশ কষ্টকর এবং তাদেরকে খুব সাবধানতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে৷ কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের এই অগ্নিপরীক্ষা শেষ হতে বড়দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে৷

New York

খনন যন্ত্র ‘এক্সক্যাভেটর' দিয়েই গর্ত করা হচ্ছে

ওদিকে এই দীর্ঘ খনন কাজের জন্য উদ্ধারকারীদেরও পালাক্রমে কাজ করতে হচ্ছে৷ প্রধান প্রকৌশলী জর্জ সানউয়েসা শ্রমিকদের সম্পর্কে বলছেন, ‘‘তাঁরা আমাদেরকে সাহায্য করতে পারবেন৷ খনিতে তাঁরা এখন কী অবস্থায় আছেন, সে বিষয়ে আমরা তাঁদের কাছ থেকেই স্পষ্ট ধারণা পেতে পারি৷''

উদ্ধার কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে রাতকে৷ কারণ এতে করে করে আটকে পড়া শ্রমিকদের সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে৷ তবে এটা তিন থেকে চারদিন পর্যন্ত সময় নিতে পারে৷ কেননা, ২ হাজার ৩শ' ৩ ফুট নিচ থেকে একজন শ্রমিককে উপরে উঠে আসতে এক থেকে দু'ঘণ্টারও বেশি সময় লাগতে পারে৷

চিলি সরকারের অনুরোধের প্রেক্ষিতে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা – নাসা আটকে পড়া শ্রমিকদের শারীরিক ও মানসিক সহায়তা করার জন্য এ সপ্তাহেই একটি দল চিলিতে পাঠাচ্ছে৷ এই দলে নাসার একজন প্রকৌশলী, মনোবিজ্ঞানী ও আরেকজন চিকিৎসকের সঙ্গে নাসার ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার মাইকেল ডানকানও থাকতে পারেন৷ ডানকান বলছেন,‘‘খনির ভেতরের পরিবেশ আলাদা হতে পারে৷ কিন্তু একজন মানুষ হিসেবে আটকে পড়া শ্রমিকদের শারীরিক ও জরুরি অবস্থার প্রয়োজন ও প্রতিক্রিয়া একইরকম৷''

এছাড়া, চিলির খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী ‘রেডিও কো-অপারেটিভ' কে বলেছেন, ‘‘আমরা দশ ধরণের উপায় পর্যালোচনা করে দেখেছি৷ এটা ছাড়া আর বিকল্প কিছু আমরা পাইনি যে তাঁদেরকে ৩০ দিনের মধ্যেই খনি থেকে বের করে আনা সম্ভব হবে৷''

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন