1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘ক্ষমা চাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না'

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং অন্যতম উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সাংবাদিক শফিক রেহমান গ্রেপ্তার ইস্যুতে করা মন্তব্যের জন্য অ্যাক্টিভিস্ট ইমরান এইচ সরকারকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন৷ ইমরান অবশ্য তাতে রাজি হননি৷

গত শনিবার বিএনপি ঘেঁষা প্রবীন সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হলে তার প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার৷ সেই পোস্টে তিনি শফিক রহমানের রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে একমত না হলেও, গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে লেখেন, ‘‘ভিন্নমতের হলেই তাকে দমন করার যে নোংরা রাজনৈতিক অপকৌশল, এর একটা অবসান চাই৷''

ইমরান এইচ সরকার লিখেছেন, ‘‘দেশে যখন একের পর এক মানুষ খুন হচ্ছে, লেখক-প্রকাশক-বিদেশি থেকে শুরু করে মসজিদ-মন্দিরে ঢুকে মুয়াজ্জিন-পুরোহিতকে হত্যা করা হচ্ছে তখন খুনিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে অপহরণের বায়বীয় অভিযোগে এমন একজন প্রবীণ সাংবাদিককে গ্রেপ্তার সত্যিই হতাশাজনক৷''

অডিও শুনুন 02:11

‘এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়’

লেখাবাহুল্য, ইমরানের এই মন্তব্য তাঁর আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পাতায় প্রকাশের পর অনেকে তা শেয়ার করেন৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আফিস নজরুল মন্তব্য করেন, ‘‘সে পরিপক্ক হয়ে উঠছে৷ ধন্যবাদ ইমরান সরকার৷'' তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একমাত্র ছেলে এবং অন্যতম উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তাতে মোটেই খুশি হননি৷ বরং এক ফেসবুক বার্তায় ইমরানকে বর্জন করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন৷ শফিক রেহমানের বিষয়ে ইমরানের মন্তব্য সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, ‘‘এটা দেখে মনে হচ্ছে সে আমাদের বেশিরভাগ সুশীলের মতই, আরেকটা সুবিধাবাদী এবং মিথ্যাবাদী৷ হয়ত বিএনপি তাকে পয়সা দিয়েছে৷ কে জানে৷ যেভাবেই হোক, আমি তার প্রতি সব শ্রদ্ধা হারিয়েছি৷ তাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে আমাদের সরকারের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে৷''

ইমরান এইচ সরকার অবশ্য ক্ষমা চাওয়ার এই আহ্বান পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন৷ সোমবার ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘আমার বক্তব্যের মূল স্প্রিরিটটাই ছিল যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ভিন্নমত দমনের যে অপকৌশল সেটার প্রতি নিন্দা জানানো৷''

ইমরান জানান, তিনি তাঁর স্ট্যাটাসে কোনো ভুল করেননি৷ তাই ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসেনা৷ একইসঙ্গে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে জয়ের আনা অভিযোগের জবাবে বলেছেন, ‘‘এটা খুবই অনাকাঙ্খিত৷ এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ কোনভাবেই একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়৷''

এদিকে, জয় এবং ইমরানের বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে৷ অনেকেই এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন৷ জয়ের ফেসবুক পোস্টের পর কেউ কেউ ইমরানকে ফেসবুকে শারীরিকভাবে আক্রমণের হুমকিও দিয়েছেন৷ তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে লড়াইয়ে বদ্ধপরিকর ইমরান এইচ সরকার৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়