ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ‘কল ফর ডিউটি বাংলাদেশ’ | বিশ্ব | DW | 01.05.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ‘কল ফর ডিউটি বাংলাদেশ’

সাভারে ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে৷ নিখোঁজ বহু মানুষ৷ ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন অনেকে৷ তৈরি হয়েছে একটি ফেসবুক প্ল্যাটফর্মও, শিরোনাম ‘কল ফর ডিউটি বাংলাদেশ’৷

বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী এখন ৩২ লাখের বেশি৷ এই বিশাল জনগোষ্ঠী বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে অত্যন্ত সক্রিয়৷ সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে শাহবাগে গণজাগরণের সূচনা হয়েছিল ফেসবুকে একটি ঘোষণার মাধ্যমেই৷ এবার সাভার ভবন ধসের ঘটনায় আরো একবার নিজের গুরুত্ব জানান দিল ফেসবুক৷ সাভারে হতাহতের উদ্ধার থেকে শুরু করে তাদের জন্য রক্ত এবং ওষুধ সংগ্রহ, দেশ-বিদেশ থেকে আর্থিক সহায়তা গ্রহণ, এমনকি স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ – সবক্ষেত্রেই প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে৷ সাধারণ জনতার মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই সামাজিক যোগাযোগ সাইটের মাধ্যমে সাভার ভবন ধসের হালনাগাদ বিভিন্ন তথ্যও জেনেছে গোট বিশ্ব৷

সাভারে ভূমি ধসে হতাহতের তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনমত তাদের সহায়তার লক্ষ্যে এবার একটি ফেসবুক পাতা খোলা হয়েছে৷ বুধবার (৩০.০৪.১৩) ‘কল ফর ডিউটি বাংলাদেশ' শিরোনামে চালু হওয়া এই পাতাটিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হাজির চার হাজারের বেশি মানুষ৷ পাতাটিতে লেখা হয়েছে, ‘‘আমাদের প্রথম কাজ: সাভারের ঘটনায় নিহত, আহত, নিখোঁজ মানুষের এবং তাদের পরিবারের একটি সম্পূর্ণ তালিকা তৈরি করা৷ এজন্য যার কাছে যা তথ্য আছে তা আমাদের সাথে শেয়ার করুন৷ আমরা যাচাই করে তা প্রকাশ করবো৷''

বলাবাহুল্য, সাভারে ভবন ধসে বিপর্যস্তদের সহায়তায় এখনো আগ্রহী অসংখ্য মানুষ৷ ফ্রাংকফুর্টে গত সপ্তাহে আয়োজিত এক বৈশাখি আড্ডায় একজনই দিয়েছেন দুই হাজার ইউরো৷ আরো কয়েকজন বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ সহায়তার কথা বলেছেন৷ আয়োজকরাও লটারি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ভবন ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন৷ চ্যানেল আইয়ের মাধ্যমে এই অর্থ তাদের কাছে পৌঁছানো হবে৷

কল ফর ডিউটি বাংলাদেশ' পাতায় নিজেদের যোগ করা ফেসবুক ব্যবহারকারীরাও দ্রুত সহায়তায় আগ্রহী৷ পরিস্থিতি এমন যে পাতাটির কর্তৃপক্ষ সবার কাছে খানিকটা সময় চেয়েছেন৷ একটি পোস্টের একাংশ এই পাতার অ্যাডমিন লিখেছেন, ‘‘আমাদের একটু সময় দিন, আমরা একটু গুছিয়ে নি, ডাটাবেস টিম রাত-দিন কাজ করছে, আগে এই কাজটা শেষ করে নি৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন