1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ‘কল ফর ডিউটি বাংলাদেশ’

সাভারে ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে৷ নিখোঁজ বহু মানুষ৷ ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন অনেকে৷ তৈরি হয়েছে একটি ফেসবুক প্ল্যাটফর্মও, শিরোনাম ‘কল ফর ডিউটি বাংলাদেশ’৷

বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী এখন ৩২ লাখের বেশি৷ এই বিশাল জনগোষ্ঠী বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে অত্যন্ত সক্রিয়৷ সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে শাহবাগে গণজাগরণের সূচনা হয়েছিল ফেসবুকে একটি ঘোষণার মাধ্যমেই৷ এবার সাভার ভবন ধসের ঘটনায় আরো একবার নিজের গুরুত্ব জানান দিল ফেসবুক৷ সাভারে হতাহতের উদ্ধার থেকে শুরু করে তাদের জন্য রক্ত এবং ওষুধ সংগ্রহ, দেশ-বিদেশ থেকে আর্থিক সহায়তা গ্রহণ, এমনকি স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ – সবক্ষেত্রেই প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে৷ সাধারণ জনতার মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই সামাজিক যোগাযোগ সাইটের মাধ্যমে সাভার ভবন ধসের হালনাগাদ বিভিন্ন তথ্যও জেনেছে গোট বিশ্ব৷

সাভারে ভূমি ধসে হতাহতের তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনমত তাদের সহায়তার লক্ষ্যে এবার একটি ফেসবুক পাতা খোলা হয়েছে৷ বুধবার (৩০.০৪.১৩) ‘কল ফর ডিউটি বাংলাদেশ' শিরোনামে চালু হওয়া এই পাতাটিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হাজির চার হাজারের বেশি মানুষ৷ পাতাটিতে লেখা হয়েছে, ‘‘আমাদের প্রথম কাজ: সাভারের ঘটনায় নিহত, আহত, নিখোঁজ মানুষের এবং তাদের পরিবারের একটি সম্পূর্ণ তালিকা তৈরি করা৷ এজন্য যার কাছে যা তথ্য আছে তা আমাদের সাথে শেয়ার করুন৷ আমরা যাচাই করে তা প্রকাশ করবো৷''

বলাবাহুল্য, সাভারে ভবন ধসে বিপর্যস্তদের সহায়তায় এখনো আগ্রহী অসংখ্য মানুষ৷ ফ্রাংকফুর্টে গত সপ্তাহে আয়োজিত এক বৈশাখি আড্ডায় একজনই দিয়েছেন দুই হাজার ইউরো৷ আরো কয়েকজন বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ সহায়তার কথা বলেছেন৷ আয়োজকরাও লটারি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ভবন ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন৷ চ্যানেল আইয়ের মাধ্যমে এই অর্থ তাদের কাছে পৌঁছানো হবে৷

কল ফর ডিউটি বাংলাদেশ' পাতায় নিজেদের যোগ করা ফেসবুক ব্যবহারকারীরাও দ্রুত সহায়তায় আগ্রহী৷ পরিস্থিতি এমন যে পাতাটির কর্তৃপক্ষ সবার কাছে খানিকটা সময় চেয়েছেন৷ একটি পোস্টের একাংশ এই পাতার অ্যাডমিন লিখেছেন, ‘‘আমাদের একটু সময় দিন, আমরা একটু গুছিয়ে নি, ডাটাবেস টিম রাত-দিন কাজ করছে, আগে এই কাজটা শেষ করে নি৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন