1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ক্লাউডিয়া শিফার ৪০-এ পা দিলেন

২৩ বছর আগে তাঁর সুপারমডেল ক্যারিয়ারের শুরু৷ বয়স ছিল তখন ১৭ বছর৷ সেযাবৎ বিশ্বের হাজার খানেক নামীদামী ফ্যাশন পত্রিকার প্রচ্ছদে দেখা গেছে তাঁকে৷ তিন সন্তানের জননী ক্লাউডিয়া আজ একটি কিংবদন্তী৷

default

রাইনবের্গের লম্বা, খোড়োচুল, নীলচোখো ক্লাউডিয়ার মডেল জীবনের শুরু ড্যুসেলডর্ফের একটি ডিস্কো থেকে৷ লাজুক ব্লন্দিনীকে প্রথমে ‘‘আশ্চর্য ফ্রয়লাইন'' এবং ব্রিজিৎ বার্দো'র জার্মান সংস্করণ বলে অভিহিত করা হতো৷ সেখান থেকে ফ্যাশন সম্রাট কার্ল লাগারফেল্ড'এর প্রেরণা হয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী পারিশ্রমিকের ফটো মডেল৷ আজ ক্লাউডিয়ার সম্পত্তির পরিমাণ নাকি বিশ কোটি ইউরো৷ থাকেন লন্ডনে৷

১৯৯৮ সালে মাত্র ২৮ বছর বয়সেই ক্যাটওয়াক থেকে অবসর নেওয়ার মতো বিত্তের অধিকারিণী ছিলেন ক্লাউডিয়া৷ আজ লন্ডনের নটিং হিল'এর বাড়িটিতে থাকেন গুর্খা প্রহরী পরিবেষ্টিত হয়ে৷ অথবা কান্ট্রি হাউস কোল্ডহ্যাম হল'এ বেড়াতে যান৷ স্বামী ব্রিটেনের ফ্যাশনেবল চিত্রপরিচালক ম্যাথিউ ভন৷

Matthew Vaughn und Claudia Schiffer

স্বামী ম্যাথিউ ভনএর সঙ্গে ক্লাউডিয়া শিফার

ক্যাস্পার এবং ক্লিমেন্টাইনের পর দু'জনের তৃতীয় সন্তান কসিমা'র জন্ম গত মে মাসে৷ কসিমা'কে গর্ভে নিয়ে ক্লাউডিয়া যখন মা হতে চলেছেন, তখনও তাঁর সেই সন্তানসম্ভবা অবস্থার ছবি ছিল জার্মান ‘‘ভোগ'' পত্রিকার প্রচ্ছদে৷

নিখুঁত সুন্দরী ক্লাউডিয়া কাজও করেছেন বিশ্বের সেরা ফ্যাশন লেবেলগুলির জন্য: শানেল, লোরিয়াল, রেভলন৷ নব্বই'এর দশকে ক্লাউডিয়া, নাওমি ক্যাম্পবেল, লিন্ডা এভাঞ্জেলিস্টা কিংবা সিন্ডি ক্রফোর্ডের মতো সুপারমডেলদের পাশে হলিউড তারকাদেরও ফ্যাকাশে দেখাতো৷ কিন্তু অতীব সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রা ছাড়া ক্লাউডিয়ার মতো সাফল্য সম্ভব নয়৷ কোনো মাদক নয়, কেলেঙ্কারি নয়, হোটেলে অন্যদের সঙ্গে শ্যাম্পেন পার্টি নয়৷ ক্লাউডিয়া তখন প্লেনে বসে পরের শুটিং'এ চলেছেন৷

Claudia Schiffer als Barbie Puppe

বার্বি ডল হিসেবে ক্লাউডিয়া শিফার

সত্যিই যখন ক্লাউডিয়া ১৯৯৬ সালে শ্যানেল পরিত্যাগ করেন, তখন তার সাথেই যেন সুপারমডেলদের যুগ শেষ হয়ে যায়৷ তবে জার্মানি বলতে সারা বিশ্বে মানুষ এখনও মিশায়েল শুমাখার, বরিস বেকার, স্টেফি গ্রাফ - এবং ক্লাউডিয়া শিফার'কেই বোঝে৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই