1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

‘ক্রোয়েশিয়ায় ভালো টেনিস স্কুল নেই': চিলিচ

ইউএস ওপেন জেতার পর মারিন চিলিচ এটিপি ব়্যাংকিংয়ে আবার টপ টেন-এ ফিরছেন দীর্ঘ চার বছর বাদে৷ চিলিচের জয়ে স্বদেশ ক্রোয়েশিয়া উচ্ছ্বসিত, উদ্বুদ্ধ৷ চিলিচ বলেছেন, টেনিস স্কুল নয়, ক্রোয়েশীয়রা জেতে আবেগের জোরে৷

‘‘ক্রোয়েশিয়ায় অধিকাংশ খেলোয়াড়রা খুবই আবেগপ্রবণ: তারা জেতার জন্য পাগল, আবার হারলেও খুব ইমোশনাল,'' বলেছেন চিলিচ৷ এবং যোগ করেছেন: ‘‘আমাদের ভালো টেনিস স্কুল নেই৷ আমাদের দেশে টেনিস খেলার ‘ট্র্যাডিশন'-টাও খুব বেশি দিনের নয়৷ ফ্রান্স কিংবা স্পেনের মতো বড় দেশগুলোয় যেমন নানা টেনিস সেন্টার আছে, আমাদের সেরকম নেই৷ (কিন্তু) বেশ কিছু বছর পর পর কোত্থেকে যেন কোনো তরুণ টেনিস খেলোয়াড় উদয় হয়, আর তারপর দারুণ টেনিস খেলে৷ আমার মনে হয়, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সেটা আমাদের সকলের মধ্যেই আছে৷''

Marin Cilic - Tennisspieler

নিশিকোরিকে ৬-৩,৬-৩, ৬-৩ গেমে হারিয়ে ইউএস ওপেন জিতেছেন চিলিচ

ইমোশন তো শুধু একা ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড়দের নয়: চিলিচ ইউএস ওপেন জেতায় সারা দেশে ‘‘যেন বিশ্বকাপ জেতার পরিবেশ'', চিলিচকে জাগ্রেব থেকে টেলিফোনে বলেছেন তাঁর গডফাদার৷ ভালো কোচ না থাকলে বিশ্বকাপ জেতা যায় না৷ ঠিক তেমনই, গত এক বছর ধরে চিলিচের কোচ যিনি, তিনিও টেনিসের ইতিহাসে স্বনামধন্য: ক্রোয়েশিয়ার গোরান ইভানিসেভিচ, ২০০১ সালের উইম্বলডন বিজয়ী, টেনিসে সবচেয়ে মারাত্মক ‘সার্ভ'-এর জন্য খ্যাতি ছিল যাঁর৷

মজার কথা, চিলিচ আর ইভানিসেভিচের মধ্যে যখন সংযোগ ঘটে, তখন চিলিচের দিন কিন্তু খুব ভালো যাচ্ছিল না৷ ভুলক্রমে কিছু গ্লুকোজ সাপ্লিমেন্ট খেয়ে ফেলার দরুণ তাঁর ওপর চার মাসের প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল৷ সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর, ঠিক ঐ চার মাস চিলিচ ইভানিসেভিচের তত্ত্বাবধানে ট্রেনিং করেন৷ তাঁর খেলায় ‘টাফনেস' আসে ইভানিসেভিচের প্রভাব থেকে৷ ইভানিসেভিচ তাঁকে শেখান কিভাবে ব়্যাকেট হাতে কোর্টে দাঁড়িয়েও গেম'টাকে উপভোগ করা যায় – শুধু ফলাফলের কথা না ভেবে৷

2014 US Open Kei Nishikori aus Japan

ফাইনালে হেরে গেলেও জাপানের হয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছেন নিশিকোরি

অন্যভাবে বলতে গেলে: ইভানিসেভিচ চিলিচকে শেখান ‘রিল্যাক্স' করতে, অতটা চাপের মধ্যে না থাকতে, নিজেকে অতটা চাপের মুখে না ফেলতে৷ সেই থেকেই সম্ভবত ফ্লাশিং মেডোজ-এর সাফল্য৷

গত সোমবার ৬-৩,৬-৩, ৬-৩ গেমে মাত্র দু'ঘণ্টার মধ্যে চিলিচ যে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিলেন, সেই নিশিকোরির জন্য দুঃখ বোধ করার কোনো কারণ নেই৷ চিলিচের চেয়ে এক বছরের ছোট, অর্থাৎ ২৪ বছর বয়সি কেই নিশিকোরি হলেন প্রথম জাপানি টেনিস খেলোয়াড়, যিনি একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্টের ফাইনাল অবধি পৌঁছেছেন৷ ওদিকে যেহেতু জাপানিরা বেসবল, ফুটবল এবং গল্ফ-এ অনেক বেশি আগ্রহী, সেহেতু নিশিকোরির ইউএস ওপেনের ফাইনালে পৌঁছানো যদি জাপানে টেনিসের জনপ্রিয়তা কিছুটা বাড়াতে পারে, সেটাই বা কম কিসের?

এসি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন