1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ক্যান্সার নিয়েও সকলকে মুগ্ধ করছেন বারবারা, অনুরাগ

বিশ্বাস হওয়ার কথা নয়৷ দারুণ সুন্দরী, ‘কাইটস' ছবির তন্বী মেক্সিকান নায়িকা বারবারা মোরি আসলে ক্যান্সারের রোগী৷ কিন্তু সেই লড়াই জিতে নিয়েছেন তিনি৷ তারপরে জিতে নিচ্ছেন দর্শকের হৃদয়ও৷

default

কে জানত, হাসির পেছনে এত বেদনা!

অফুরন্ত সুন্দর হাসি, একরাশ গভীর চুল, লাবণ্যময় চেহারা, যৌবনের প্রাচুর্যে ভরপুর বারবারা মোরি ক্যান্সারের রোগী! এই কথাটা বিশ্বাস না হলেও এর চেয়ে বড় সত্যি আর নেই৷ এতদিন স্প্যানিশ ভাষাভাষী বিশ্বে তাঁর অভিনেত্রী পরিচয় বেশ সুবিদিত ছিল৷ ঋত্বিক রোশনের সঙ্গে ‘কাইটস' ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে বারবারা এখন এশিয়াতেও বেশ পরিচিত মুখ৷ বহু কোটি টাকার এই হিন্দী স্প্যানিশ দ্বিভাষিক ছবিটি ভারতে তেমন ব্যবসা করতে না পারলেও আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় বলিউডের এই চোখ ধাঁধানো ছবিটি কিন্তু বেশ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে৷ ফলে, বারবারাও এখন আন্তর্জাতিক তারকা৷

সুন্দরী বারবারা নিজেই জানিয়েছেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি৷ অপারেশনও করতে হয়েছিল তাঁকে৷ এখনও নিয়মিত চিকিত্সার সহায়তা নিতে হয় এই নায়িকাকে৷ কিন্তু তিনি সফল৷ তিনি দর্শকের ভালোবাসাও পেয়েছেন৷ পেয়েছেন কোটি কোটি মানুষের মুগ্ধতাও৷

Mexico Schauspielerin Barbara Mori

‘কাইটস’ তেমন সাফল্য না পেলেও বারবারা’কে ভোলা সহজ হবে না

নিজের এই গোপন দুঃখ বারবারা ভাগ করে নিতে পেরেছেন ‘কাইটস' ছবির বাঙালি পরিচালক অনুরাগ বসুর সঙ্গ৷ কারণ, অনুরাগ নিজেও রক্তের ক্যান্সার বা লিউকোমিয়ার রোগী৷ অনুরাগ বলেছেন, এই দুরারোগ্য অসুখে আক্রান্ত হওয়ার পরেই জীবনের প্রতি আরও বেশি মমতা বোধ করেছেন তিনি৷ করতে পেরেছেন তাঁর জীবনের সেরা কাজগুলোও৷ অনুরাগের মতে, ‘একজন ভালো মানুষ করে আমাকে গড়ে তুলেছে এই রোগের যন্ত্রনা৷'

বারবারাও বলেছেন প্রায় একইরকম কথা৷ বলেছেন, এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে চালাতে নিজের জেদ অনেকখানি বেড়েছে তাঁর৷ মনে হয়েছে, ভালো কাজ করতে হবে৷ আরও ভালো কাজ করতে হবে৷ আরও ভালো কিছু৷

আমরা বলব, কুর্নিশ জানালাম তোমাকে, বারবারা৷ কুর্নিশ তোমাকেও অনুরাগ৷ যে অসুখের নাম শুনলেই বহু মানুষ অর্দ্ধমৃত হয়ে যায়, নিজেদের দেহে তাকে বহন করেও তোমরা কোটি কোটি মানুষের মনোরঞ্জন করছ৷ তাই তোমাদের প্রতি আমাদের মুগ্ধতা, আমাদের অনুরাগ আরও বেড়ে গেল৷ বেড়ে গেল শ্রদ্ধা, ভালোবাসাও৷

প্রতিবেদন: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়