1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

ক্যানসারের চিকিৎসায় ‘ব্যক্তিগত' ওষুধ

চিকিৎসক ও গবেষকরা রোগীর শারীরিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সঠিক ওষুধ বের করার চেষ্টা করছেন৷ বিশেষ করে ক্যানসারের চিকিৎসায় এই পদ্ধতি ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করেন তাঁরা৷

default

রোগীর শারীরিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সঠিক ওষুধ বের করার চেষ্টা চলছে

গবেষক ফ্রাংক কিশকেল এই প্রসঙ্গে বলেন, যে কোনো থেরাপির আগে রোগটিকে শনাক্ত করা প্রয়োজন৷ তা না হলে ভুল চিকিৎসা হতে পারে৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘আমি তো হাড় ভাঙলে শুধু মলম দিয়ে ভালো করতে পারি না৷ এ জন্য ভাঙা হাড়কে আগের জায়গায় এনে আঁটকাতে হবে৷ তা হলেই তা জোড়া লাগবে৷''

সঠিক চিকিৎসা

ভাঙা হাড়ের মতো ক্যানসার রোগেও সঠিক চিকিৎসা ও ওষুধের ঠিকঠাক ডোজ দেওয়া উচিত৷ ডাক্তার যদি ঠিকমতো বুঝতে পারেন, রোগী কতটা কেমোথেরাপি সহ্য করতে পারবেন, তাহলে তাঁকে ঠিকমতো ডোজও দিতে পারবেন৷ এ জন্য একটি পদ্ধতি বের করা হয়েছে৷ এর মাধ্যমে প্রচলিত ৩২টি কেমোথেরাপির ওষুধ কোনো নির্দিষ্ট রোগী কতটা সহ্য করতে পারবেন, তা পরীক্ষা করা হয়৷ যে সব ওষুধ কাজে লাগবে না বলে বোঝা যায়, সে সব আর রোগীকে দেওয়া হয় না৷

জিন থেরাপি

আরেক পদ্ধতিতে চিকিৎসকরা ক্যানসারের জিন বিশ্লেষণ করে দেখছেন, যাকে ‘অঙ্কোজিন' বলা হয়৷ কিশকেল বলেন, আমরা ক্যানসারের সেলের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বুঝতে পারলে উপযোগী চিকিৎসাও করতে পারবো৷

‘হাইডেলব্যার্গের ন্যাশনাল সেন্টার ফর টিউমার ডিজিজ'-এর বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টফ ফন কালে এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘ক্যানসার উদ্দীপক জিন বের করতে পারলে নির্দিষ্ট ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা সম্ভব৷'' কোনো কোনো স্কিন ক্যানসার ও স্তনের ক্যানসারের বেলায় এটা কার্যকর হতে পারে৷

ইমিউন থেরাপি

ক্যানসারের চিকিৎসায় আরেকটি ফলপ্রসূ পদ্ধতি হলো ইমিউন থেরাপি৷ এই থেরাপিও রোগীর শারীরিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো হতে হবে৷ এই থেরাপির মাধ্যমে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্যানসারের সেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে৷ চিকিৎসকরা টিকা বের করার কাজে রোগীর ইমিউন সিস্টেমকে লাগাতে পারেন, যা নির্দিষ্ট কোনো ক্যানসার রোধে কাজ করতে পারে৷

অথবা চিকিৎসকরা রোগীর ইমিউন সিস্টেম থেকে সেল বের করে এমনভাবে উদ্দীপিত করার চেষ্টা করতে পারেন, যাতে এটি টিউমারকে আক্রমণ করতে বা ধ্বংস করতে পারে৷

ব্যক্তিগত চিকিৎসা

এই রকম ব্যক্তিগত ওষুধ ছাড়া ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে জয় লাভ করা সম্ভব নয়৷ এ ব্যাপারে চিকিৎসক ফন কালে প্রায় নিশ্চিত৷ তবে এক্ষেত্রে দ্রুত কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে বলে মনে করেন না চিকিৎসকরা৷ এই গবেষণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে৷ একটি আন্তর্জাতিক ক্যানসার জিনোম-কনসোর্টিয়াম এক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে, যাতে দ্রুত একটা ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায়৷

ফন কালে আশা করেন, দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে চিকিৎসকরা জিন-ক্যাটালগ দেখে বুঝতে পারবেন যে, কোন থেরাপি, কোন ওষুধ বা কোন কেমোথেরাপি ক্যানসারের কোন রোগীর জন্য উপযোগী৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়