1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

কোরীয় উপদ্বীপে যুদ্ধ আসন্ন?

আর শীতল যুদ্ধ নয়, সরাসরি দক্ষিণে আঘাত হানার হুমকি দিল উত্তর কোরিয়া৷ মার্কিন সহায়তায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ঘোষণার পরেই এলো এই প্রতিক্রিয়া৷ দুই কোরিয়ার মধ্যে বেড়ে চলা উত্তেজনা নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে৷

সামরিক ক্ষমতা বাড়াতে উত্তর কোরিয়া একের পর এক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে৷ কিছু প্রচেষ্টা বিফল হলেও সার্বিকভাবে সে দেশকে হুমকি হিসেবেই বিবেচনা করে দক্ষিণ কোরিয়া ও তার জোটসঙ্গী অ্যামেরিকা৷ তাই উত্তর কোরিয়ার হামলার আশঙ্কায় এক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ঘোষণা করেছে দক্ষিণ কোরিয়া৷ তবে এই ব্যবস্থা ঠিক কোন এলাকায় গড়ে তোলা হবে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি৷

‘টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স' নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করা হলে কোরীয় উপদ্বীপে সামরিক ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে বলে পিয়ং ইয়ং সরকার আশঙ্কা করছে৷ তাই যে কোনো মূল্যে এই উদ্যোগ থামানোর হুমকি দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া৷ আর শীতল যুদ্ধ নয়, প্রয়োজনে সরাসরি দক্ষিণে আঘাত আনা হবে – এমনই কড়া সুর শোনা যাচ্ছে উত্তর প্রান্ত থেকে৷ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ শুরু হলেই ‘আরও ক্ষমাহীন, শক্তিশালী ধারাবাহিক পালটা পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী৷

চলতি বছর উত্তর কোরিয়ার সামরিক তৎপরতা বেশ বেড়ে গেছে৷ এরই মধ্যে চারবার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করেছে সে দেশ৷ দূর ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রেও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ উল্লেখ্য, শনিবারই সম্ভবত সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া৷ মাঝারি পাল্লার এই নতুন ‘মুসুদান' ক্ষেপণাস্ত্র গুয়াম দ্বীপে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ তবে এ দিনের পরীক্ষা বিফল হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন৷

এমন বেড়ে চলা উত্তেজনার ফলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে চীন৷ দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ঘোষণার প্রতিবাদ জানিয়েছে বেইজিং৷ এই পদক্ষেপের পেছনে কোনো গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে চিনের আশঙ্কা৷ দক্ষিণ কোরিয়া অবশ্য সব আঞ্চলিক দেশকে আশ্বস্ত করে বলেছে, হামলা নয় – শুধুমাত্র আত্মরক্ষার তাগিদেই এই উদ্যোগ নিতে হচ্ছে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়